পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৬০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


взо কোরআন শরীফ [ তৃতীয় পার। l్క AA AA ASAA AA S AAAAA AAAAS AAAAAe eeAe AeeAMAe AAAA SAAAAAS SEEESAASAASAASAASAASAASAASAASAA যে, বস্তুতঃ ইহাতে আশ্চর্য্যের কথা কিছুই নাই। ইহার একমাত্র কারণ এই যে, হজরত রছুলে করিমের প্রতি যখন "রেবা"র নিষেধমূলক আয়তগুলি অবতীর্ণ হয়, তখন "রেবা"জিনিষটা আরব জনসাধারণের সম্পূর্ণ বিদিত ছিল। সৰ্ব্ববিদিত ছিল বলিয়া “রেবা”র সংজ্ঞা দিবার দরকার হয় নাই—যেমন শূকরমাংসের সংজ্ঞা দেওয়ার দরকারও হয় নাই। “রেবা”র নিষেধমূলক আয়তগুলি নাজেল হওয়ার সময়, আরবের জনসাধারণ "রেব।” বলিতে কি বুঝিত, এখন আমাদিগকে তাহারই সন্ধান লইতে হইবে। তাহা হইলেই “রেবা”র সংজ্ঞা জানিবার জন্য আমাদিগকে ব্যতিব্যস্ত হইতে হইবে না । আমাদের এমমি আলেম ও ঐতিহাসিকগণ একবাক্যে স্বীকার করিতেছেন যে ঃ– آن هم کالرید فعربی المال علی ان یاخذر کل شهرقدار معینا ر یک سری از سی المال باقيا - ثم إذا حل الدين طالبوا المن يررئ برأس المال ؟ فان تعذر عليسسة الاداء زادرا فى التحق رالاجل - فهذا هو الربا الذي كانوا يتعاملون به فى الجاهليه - —“লোকে এই শর্তে টাকা ধার দিত যে, খাতক মহাজনকে প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ মুনাফা প্রদান করিবে, অথচ আসল কমিবে না। এইরূপে আসল টাকা পরিশোধ করার সময় উপস্থিত হইলে খাতক যদি টাকা দিতে অসমর্থ হইত, তবে সে মহাজনকে বলিয়া সময় বাড়াইয়া লইত এবং আসল টাকাও বাড়াইয়া দিত (কবির, জরির প্রভৃতি ) ৷ ফলে আমাদের দেশের মহাজনেরা টাকা কৰ্জ দিয়া যেরূপে সুদ ও চক্রবৃদ্ধি হারের সুদ আদায় করিয়া থাকে, আরবে তখন তাহাই "রেবা" বলিয়া পরিচিত ছিল। কোরআন এই সৰ্ব্বজনবিদিত "রেবা"র উল্লেখ করিয়াছে এবং উভয়কেই হারাম করিয়া দিয়াছে । Q সুদখোরদিগের বিকারের কারণ সম্বন্ধে কোআন বলিতেছে—“তাহারা বলিয়া থাকে যে, মূলধন খাটাইয়। ব্যবসা করা আর টাকা কৰ্জ দিয়া স্বদ গ্রহণ করা উভয়ই ত সমান।” “অথচ আল্লাহ ব্যবসায়কে হালাল ও সুদকে হারাম করিলেন”—এই পদাংশটা কাহার উক্তি —আল্লার না সুদখোরদিগের—সে সম্বন্ধে মতভেদ আছে । সাধারণ তফছিরকারগণের মতে, “ব্যবসায় সুদের অনুরূপ বৈ’ত নহে”-পর্য্যন্ত সুদখোরদিগের উক্তি শেষ হইয়া গিয়াছে, তাহার পর হইতে আল্লার উক্তি আরম্ভ হইয়াছে। চরম পরিতাপের বিষয় এই যে, সুদ ও ব্যবসায়ের মধ্যে যে কোনই পার্থক্য নাই, তফছিরকারগণ ইহা স্বীকার করিয়া লইং বলিত । ছেন—উভয় সমান হইলেও, যেহেতু আল্লাহ মুদকে হারাম ও ব্যবসায়কে হালাল করিয়া লিয়াছেন, সেই জন্যই একটা হালাল ও অন্তটা হারাম হইয়া গেল—সুতরাং স্বরূপতঃ ব্যবসায় সুদের সমান বলিয়া, মুদকে হালাল বলা আর সম্ভব হইবে না। ইহা বলার জন্যই তাহারা শেষ অংশটাকে আল্লার উক্তি বলিয়া নিৰ্দ্ধারণ করিয়াছেন। কিন্তু একটু ভাবিয়া দেখিলে সইজে জানা যাইবে যে, তাহীদের এই ব্যাখ্যাম্বারা সুদখোর ও কাফেরদিগের উপস্থাপিত