পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


883 . কোরআন শরীফ [ তৃতীয় পারা AAAA SAS A SAS SSAS SSASAeeeSeeeAeeMeeeeAe EeeAeeAeeAeAeS eeeS ee AAAAS حیات گتی -گیج گیری گری- نگین گی گئی۔ S SAAAS AAAeeAeeSAAAAAA SAAAAA AAAA AAAA SAAAAA AAAA AAAA AAAAeSAeee Ae eAeeAe eAeS eeeAeeeAAAA যেমন মহাজনকে সুদ খাইতে সাহায্য করে, সেইরূপ জাকাত দানে অসম্মত ব্যক্তি জাকাত বন্ধ করিয়া অভাবগ্রস্ত ব্যক্তিদিগকে সুদী কর্জ লইতে বাধ্য করিয়া থাকে । সে ও তাহার সমশ্রেণীর অবস্থাপন্ন ব্যক্তির যথাবিধি জাকাত ওশর প্রভৃতি আদায় দিতে থাকিলে গরীবগুলি তাহীদের অভাবের দায় হইতে মুক্তিলাভ করিতে পারিত, সুতরাং সুদখোর মহাজনের দ্বারস্থ হওয়ার কোন কারণই তাহীদের ঘটিত না। জাকাত ওশর প্রভৃতি ফরজ ছাদকাগুলির পরিচয় আমরা পূৰ্ব্বে দিয়াছি। এই ছাদকগুলি কোরআন-হাদিছের ব্যবস্থা অনুসারে নিয়মিতভাবে আদায় দিতে এবং যথাবিধি তাহা ব্যয় করিতে থাকিলে সত্যকার অভাবগ্রস্ত ব্যক্তিদিগের সমস্ত অভাব পূরণ হইয়া যাইবে, কাহাকেও সুদখোর মহাজনের কবলে পড়িয়া সৰ্ব্বস্বাস্ত হইতে হইবে না। মুছলমান জনসাধারণ আজকাল যে পরিমাণ টাকা অমুছলমান মহাজনদিগের নিকট হইতে বর্জ লইয়া থাকে, বায়তুল মাল তহবিলের দ্বারা তাহ সম্পূর্ণভাবে সস্কুলান করা সম্ভবপর হইতে পারে কি না, সে সম্বন্ধে কেহ কেহ সন্দেহ প্রকাশ করিয়াছেন। আমাদের মতেও এ সন্দেহটা অমূলক নহে। কিন্তু মুছলমান খাতকদিগের অবস্থা যাহারা উত্তমরূপে অনুসন্ধান করার সুযোগ পাইয়াছেন, তাহার একবাক্যে স্বীকার করিবেন যে, দৈবদুৰ্ব্বিপাকে অথবা অন্যান্য সমীচীন কারণে অভাবগ্ৰস্ত হইয়া টাকা কঞ্জ করিতে বাধ্য হয় যাহারা, তাহীদের সংখ্যা অপেক্ষাকৃত অল্প। পক্ষান্তরে অপব্যয়, অমিতব্যয়, অপরিণাম দৰ্শিতা এবং অনর্থক জাকজমকের অতুরাগ বশতঃ যাহারা সুদীকজর্জ করিয়া সৰ্ব্বস্বাস্ত হয়—মুছলমান সমাজে তাহদের সংখ্যাই অধিক । -শহর ও মফস্বলের মুছলমানদিগের এই অজ্ঞতার যে শোচনীয় দৃশু আমরা অহরহ দেখিয়৷ থাকি, তাহা অতি জঘন্ত, অত্যন্ত মৰ্ম্মবিদারক । নিম্নশ্রেণীর ন্যায় উচ্চশ্রেণীর এবং মোটা মাহিলর সরকারী কর্মচারীদিগের মধ্যেও এই রোগটা সমানভাবে সংক্রমিত হইয়া আছে । এই সৰ্ব্বনাশ স্রোতের গতিরোধ করিতে হইলে, নানা উপায়ে অবিরাম প্রচারের দ্বারা জাতির মধ্যে এই শোচনীয় অবস্থার তীব্র অনুভূতি জাগাইয়া তুলিতে হইবে। অন্যথায় সুদ ও সুদী কর্জকে যতই সহজলভ্য করা হইবে, এই সৰ্ব্বনাশের স্রোত ততই উদাম গতিতে অগ্রসর হইতে থাকিবে! কোজান-হাদিছের ব্যবস্থা অনুসারে বায়ুতুল মাল তহবিল প্রতিষ্ঠা করা সম্ভবপর হইলে সুদের দায় হইতে রক্ষা পাওয়া মুছলমানের পক্ষে সম্ভবপর হইতে পারিত, ইহা স্বীকার করার পর কোন কোন বন্ধু বলিয়াছেন—“এখনও যে সব মোছলেম-শাসিত দেশে জাকাত, নীতিমত আদায় করা হয়, বিতরণ করা হয় এবং বাতুল মালের ব্যবস্থা আছে, সে স্থানে অভাবগ্রস্ত মুছলমান খুব কম। কিন্তু এই বিদেশী রাজ্যদ্বারা শাসিত দেশে মুছলমান রীতিমত জাকাত আদায় করে না, ফেৎরা দেয় না বা অন্তান্ত কাজকৰ্ম্ম করে না—ষা হচ্ছে বাস্থতুল মালের মূলধন। মোছলেম-শাসিত দেশে রাজ সরকার লক্ষ্য রাখত বাহাতে মুছলমানগণ শরিয়তপালন করে—জাকাত ফেৎরা দেয় বা অন্তান্ত শরিয়তের আদেশবিধি পালন করে। এই