পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


૪૭ কোরতমাল শরীফ [ তৃতীয় পারা, TEESEe eAE SAS SSAS SSAS SSASAS SS SAAAAAS AAAAA AAAA AAAA S ங் - ச் ബ= A S A S A S A S A S A S A S A S A * - - Ae AAAS S AAAAA AAAAS AAAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAASS عند مد يو - بير ة يية سمي سمي عاية حمد ৩. আল্লাহ ও চুলের সহিত यूक : ২৭৮ আয়তে মুছলমানদিগকে সম্বোধন করিয়া বলা হইয়াছে—সুদ সংক্রান্তনিষেধাজ্ঞা প্রচারের পর খাতকের নিকট স্বদের যে অংশ বাকি আছে, তোমরা যদি সত্যকার মুছলমান হইয়া থাক, তাহা হইলে সেই বাকি সুদ তোমাদিগকে পরিত্যাগ করিতে হইবে—অর্থাৎ যদি তোমরা পরিত্যাগ না কর, তাহা হইলে জানা যাইবে যে, তোমরা প্রকৃত মুছলমান হইতে পার নাই। এ আয়তে বলা হইতেছে যে, যে ব্যক্তি সুদ পরিত্যাগ না করিবে, আল্লাহ ও রচুলের সহিত তাহার state of war বা বৈরীসম্বন্ধ স্থাপিত হইবে। দুস্থ ও দুৰ্ব্বল মানুষকে প্রবলের অত্যাচার হইতে মুক্ত করা এছলামের একটা প্রধানতম সাধন। এ সম্বন্ধে উপদেশ বিফল হইয়া গেলে বলপ্রয়োগের দ্বারা উৎপীড়িতকে রক্ষা করা মুছলমানের কৰ্ত্তব্য হইয়া দাড়াইবে । সে অবস্থায় এছলামের দোহাই দিয়া কোন প্রকার উপকার লাভ করা সুদখোরের পক্ষে সম্ভব হইবে না। কারণ দীনদরিদ্রের উৎপীড়নকারী জালেমের সহিত আল্লাহ ও তাহার রচুলের প্রেমের সম্বন্ধ থাকিতে পারে না। so ৩৯১ অভ্যাচার করা ও অত্যাচারিত হওয়া ঃ– আল্লাহ ও তাহার রচুলের সহিত এই ভয়ঙ্কর সম্বন্ধের কথা অবগত হওয়ার পর যাহারা অনুতপ্ত হইয়া তওবা করে, তাহারা মূলধন বা আসল টাকা পাইবার অধিকারী। সুদগ্রহণ না করাতে তাহারা অত্যাচারী হইবে না এবং মূলধনের হ্রাস না হওয়াতে অত্যাচারিতও হইবে না। অর্থাৎ সম্পূর্ণ মূলধন পরিশোধ না করা খাতকের পক্ষে অন্যায় ও অত্যাচার, এবং মূলধনের অতিরিক্ত সুদগ্রহণ করা মহাজনের পক্ষে অত্যাচার । এই আয়তদ্বারা কেহ কেহ সপ্রমাণ করিতে চাহিয়াছেন যে, যে ক্ষেত্রে সুদের দাতা ও গৃহীতার মধ্যে কেহই অত্যাচারিত না হয়, সে ক্ষেত্রে সেই সুদকে "রেবা"-পদবাচা করা যাইতে পারে না। ইহাদ্বারা তাহারা ব্যাঙ্ক ও সমবায় সমিতির সুদকে নির্দোষ প্রমাণ করিতে চান। এই যুক্তিবাদটা যে আয়তের স্পষ্ট তাৎপর্ঘ্যের সম্পূর্ণ বিপরীত, তাহ বোধ হয় কাহাকেও বলিয়া দিতে হইবে না। t মাতুৰ বাস্কে যে টাকা জমা দেয়, ব্যাঙ্কের কর্তৃপক্ষ তাহা খাটাইয়া প্রভূত লাভ করিয়া থাকেন এবং তাহা হইতে একটা নির্দিষ্ট অংশ, বার্ষিক শতকরা স্বদের হিসাবে, টাকার মালিককে দিয়া থাকেন। ব্যাঙ্ক ফেল হইয়া গেলে ডিপজিটদাতার টাকাও মারা যায়। পক্ষাত্তরে মাৰে ব্যাঙ্ক হইতে বা ব্যান্ধের মারফতে যে টাকা কর্জ লইয়া থাকে, তাহ খাটাইম্বা সেও প্রভূত মুনাফা পায় এবং সেই মুনাফার একটা অংশ, একটা নির্দিষ্ট হারের স্বদের হিসাবে, ব্যাঙ্কের কর্তৃপক্ষকে প্রদান করিয়া থাকে। ফলতঃ উভয়পক্ষই এই আদানপ্রদানের স্বার। লাভের ভাগী হয়, সময় সময় লোকসানের অংশও উভয়পক্ষকে সমানভাবে বহন করিতে