পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুর ৪•শ রুকু ] আত্মসত্যে দৃঢ় বিশ্বাস 曹 ■ ৪৫৯ AAAAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAAMMAMAAA AAAA S আমাদের নাই, অথচ এই আয়তে জানা যাইতেছে যে, আল্লাহ এজন্য আমাদিগকে দণ্ডদান করিবেন! ইহঁর পর ২৮৬ আয়ত অবতীর্ণ হয়, এবং তাহাতে স্পষ্ট করিয়া বুঝাইয়া দেওয়া হয় যে, আল্লাহ মানুষকে তাহার সাধ্যের অতিরিক্ত আদেশ কখনই প্রদান করেন না । উপরের আস্থতটার মৰ্ম্ম বুঝিতে তোমরা ভুল করিষ্কাছ। অধিকাংশ তফছিরকারের মতে এই আস্থতটা ২৮৬ আস্থত দ্বারা মনচুখ বা রহিত হইয়া গিন্ধছে। র্তাহীদের সমস্ত আলোচনার সার এই দাড়ায় যে, ২৮৬ আয়ত নাজেল হওয়ার পূর্ব মুহূৰ্ত্ত পৰ্য্যন্ত আল্লাহ মাতুষকে তাহার সাধ্যের অতিরিক্ত ভার বহনে বধ্য করিতেন ! . কিন্তু ২৮৬ আয়ত নাজেল হওয়ার পর হইতে ব্যবস্থা হইল যে, কাজে পরিণত না করা পর্য্যন্ত । মনের কোন পাপ, দুরভিসন্ধি বা মন্দ সঙ্কল্পের জন্য মাতুষকে আর দণ্ড দেওয়া হুইবে না । তফছিরকারগণের এই মন্তব্যটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অপ্রমাণিক সুতরাং সৰ্ব্বতংভাবে অগ্রাহ। কোরআন সৰ্ব্বপ্রথমে আল্লার বিশেষণ দিয়াছে রহমান ও রহিম বা করুণাময় রুপানিধান বলিয়া । কিন্তু দুৰ্ব্বল বান্দার উপর তাহার শক্তির (যে শক্তি শ্ৰাবার তাহারই হষ্টি) অতিরিক্ত তার চাপাইয়া দেয় যে প্রভু এবং তাহা বহন করিতে অসমর্থ হইয়াছে বলিয়া, বান্দাকে আবার দণ্ড দিতে কুষ্ঠিত হয় না ষে মালিক, তাহা অপেক্ষা অত্যাচারী আর কে হইতে পারে ? তফছিকারদিগের কথা সত্য হইলে স্বীকার করিয়া লইতে হইবে, ষে, ২৮৬ আস্থত নাজেল না হওয়া পৰ্য্যন্ত ( মাআজাল্লাহ ) আল্লাহতাস্বালা বরাবরই এই অত্যাচার চালাইয়া আসিয়াছেন ! অথচ ঐ ২৮৬ অtয়তেই কোরআন এই ধারণার কঠোর ‘ প্রতিবাদ করিয়া বলিতেছে যে, আল্লাহ কখনও কাহাকে তাহার সাধ্যের অতিরিক্ত কণ্ঠদান করেন না। পাঠক আরও ভাবিয়া দেখুন, কাজে পরিণত না হওয়া পুর্য্যস্ত মনের কোনও সম্বর বা অভিসন্ধির জন্য যদি মাহৰ অপরাধী না হয়, তাহা হইলে বহু মহাপাতক, দণ্ডের হাত হইতে রক্ষা পাইয়া যাইবে, শের্ক বেস্থআতের আকিদাগুলিও তাহা হইলে অনেক সমৰ নির্দোৰ হইয়া দাড়াইবে ! মুখের বিষয়, অপেক্ষাকৃত চিন্তাশীল তফছিরকারগণ এই সবউক্তির কঠোর প্রতিবাদ করিয়া গিয়াছেন (কবির ২—৫৬১ ) । ৩১৫ অtষ্মসত্যে দৃঢ় বিশ্বাস 3— আত্মসত্যে দৃঢ় প্রত্যয় যাহাদের না থাকে, কোন সাধনায়, জীবন-সংগ্রামের কোন 'স্তরে, কোন প্রকার সফলতা লাভ তাহাদের পক্ষে সম্ভবপর হয় না। হজরত রচুলে করিম 'ও তাহার অন্তরক্ত ভক্তগণ এছলামের সত্যতায় কিরূপ বিশ্বাস করিতেন—তাহারা আয়ার উপর কিরূপ নির্ভর ও আত্মসমর্পণ করিয়াছিলেন, এছলামের প্রাথমিক ইতিহাস তাহারু অসংখ্য অনুপম নিদর্শনে পরিপূর্ণ হই আছে। মোন্তক-চরিতে তাহার একটু জাভাৰ দেওয়ার চেষ্টা করিয়াছি। o