পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


లత ' छ्रुष्व' न्वन्दञ्झ! প্রথম পর মাত্র।” এই মেনিফেরুগণ হজরতের ও মুছলমানদিগের চক্ষের অগোচরে ঈমান পোষণ করিত না। সত্যকার মোমেন কোফর ও নেফাক বা হঠতা ও কপটতার এই দোষ হইতে মুক্ত হইবে । { , সাধারণ তফছিরকারগণ গ'এব শব্দের এই অভিধানিক ব্যুৎপত্তি স্বীকার করিলেও, এখানে তাহার বিশেষ তাৎপৰ্য্য নির্ণয় করিতে গিয়া অনেকে মতভেদ করিয়াছেন। কেহ বলিতেছেন—এখানে উহার অর্থ কোরআন, কেহ বলিতেছেন—অহি, কেহ বলিতেছেন— তকৃদির। কিন্তু র্তাহাদিগের অধিকাংশের মতে এখানে গ’এব শব্দের অর্থ হইবে—সমস্ত অদৃষ্ট বিষয়—যেমন আল্লাতে বিশ্বাস, কিয়ামত, হাশর, নশর বা পরকাল সম্বন্ধে বর্ণিত বিষয়গুলি, বেহেশত, 'দোজখ, প্রভৃতি ব্যাপার, না দেখিয়া যাহার উপর বিশ্বাস করিতে হয় । ( থাজেন, ১—২৬ পূঃ প্রভৃতি ) ৷ 掺 অামি প্রথম অর্থ গ্রহণ করিয়াছি, কারণ ঃ– (ক). তাহা হইলে গ'এব মছদর (Infinitive) কে গা এব এছমে ফায়েলের অর্থে গ্রহণ করার আবশ্বক হয় না। মুখ্য অর্থ গ্রহণ করা অসম্ভব না হইলে গৌণ অর্থ গ্রহণ করা যাইতে পারে না। অধিকন্তু উপক্রম, উপসংহারে বা অন্য প্রকারে সেই গৌণ অর্থ গ্রহণের একটা সমর্থন বা ইঙ্গিত বৰ্ত্তমান থাকা চাই । এখানে এ সব কিছুই নাই, বরং গৌণ অর্থ গ্রহণের প্রতিকূলে আয়তের স্পষ্ট ইঙ্গিত বিদ্যমান আছে। (খ) তৃতীয় ও চতুর্থ আস্থত পাঠ করিয়া দেখিলে সহজে জানা যাইবে যে, তফছির 'কারগণ তৃতীয় আয়তের গ’এব শব্দের যে অর্থ করিতেছেন, চতুর্থ আয়তের শেষ ভাগে বর্ণিত আখেরাৎ বা পরকালের অর্থও "ঠিক তাহাই। এখন সাধারণ তফছিরকারগণের বর্ণিত অর্থ গ্রহণ করিলে, গে'এব ও আখেরাৎ অভিন্ন হইয়া দাড়ায় এবং তাহাতে একই বিষয়ের দ্বিরুক্তি দোষ ঘটে। অতএব, প্রথম অর্থই গ্রহণীয় । এমাম রাজী আবু মোছলেমের এই যুক্তির উত্তরে বলিতেছেন— --vou up4 পদ দ্বারা প্রথমে সংক্ষেপে সমস্ত গ’এবী বিষয়ের উপর মোটের উপর ঈমান আনিবার আদেশ দেওয়া হইছে, তাহার উপর সেই বিষয়টাকে বিশ্লেষণ করতঃ তাহ বিস্তারিতরূপে বর্ণনা করিয়া দেওয়া হইতেছে। সাধারণ তফছিরকারগণের মত বর্ণনা করিতে গিয়া এমাম ছাহেব ইহার অন্ন পূৰ্ব্বে রলিয়াছেন যে, আল্লার জাত' ও 'ছেফাত বা স্বত্বা ও স্বরূপের প্রতি ঈমান আনাও 皓 ঈমান-বিল-গ’এবের অন্তর্গত। ( কবির, ১—২৫০ পূঃ ) । নিজের t যুক্তির সমর্থনে এমাম ছাহেব বলিতেছেন—এইরূপ সংক্ষিপ্ত বর্ণনার পর তাহার বিস্তারিত আলোচনা করাতে দ্বিরুক্তি দোষ ঘটে না, যেমন কোরআনে (বকরা ৯৮ আয়ত) a৫৮, “এবং তাহার ফেরেশতাগণের” পদের পর আবার জিরাইল ও মীকাইল ফেরেশতার উল্লেখ N ই ইয়াছে