পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


అ কোরআন শরীফ [ প্রথম পারা سےw ’’بیم‘‘ ’’مائی ۔ ”پھی۔ جمہ ه .. কোন দলিল দস্তাবেজে কাট ছাট, জাল জালিয়াত, যোগ বিয়োগ ইত্যাদি হইলে তাহার জার,কোন মূল্য থাকে না। বিশ্ব মানব যে গ্রন্থের উপর আমল করিবে—তাহ যে মূলতঃ আল্লার বাণী, শুধু এ কথা প্রমাণ করিলেই যথেষ্ট হইবে না। এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রমাণ করিতে হইবে যে তাহ ঘথাপুৰ্ব্ব সম্পূর্ণ অপরিবৰ্ত্তিত অবস্থায় আছে, কোন প্রকার প্রক্ষেপ বা পরিবর্তন তাহার ত্রিসীমায়ও প্রবেশ করিতে পারে নাই। এক কোরআন ব্যতীত ছনার আর কোন গ্রন্থ ইঙ্গর দাবী করিতে পারে না, ইহা কোরআনের একটা বিরাট বৈশিষ্ট্য। এ হিসাবেও তুলনা করা যাইতে পারে । আয়তে মুক্লবীদিগকে আহবান করিতে বলা হইয়াছে। সে মুরুরী হইতেছে—তাহীদের কুমন্ত্রণাদাতা.এহুদী পণ্ডিত পুরোহিতগণ—পূৰ্ব্বে যাহাদিগকে তাহদের শয়তান বলিয়া বর্ণনা করা হইয়াছে । –অগ্নি—নরক ঃ نار ه : এই আয়ুতে বলা হইতেছে যে, মিথ্যাবাদীর শেষ গতি “অগ্নি"। এই অগ্নি হইতে নরকের আগুণকেই বুঝাইতেছে। মওলবী মোহাম্মদ আলী ছাহেব } }১39 46 ри الحرب আয়ত দ্বারা সপ্রমাণ করিতে চাহিয়াছেন যে, আয়ুতে অগ্নি অর্থে সমরানলকে বুঝাইতেছে। ১sul ) বা সমরানল বলিতে যুদ্ধকে বুঝায়ু--এই হেতুবাদে প্রত্যেক স্থানে ‘অনল অর্থে যুদ্ধ গ্রহণ করিতে হইবে, ইহা নিতান্তই অযৌক্তিক কথা । দোজখ ও দোজখের আগুণের কথা, কোআন হাদিছে পুনঃ পুনঃ বর্ণিত হইয়াছে, তাহাকে অস্বীকার করা আর প্রকারণত্তরে কোঙ্গুন শদিছকে অস্বীকার করা একই কথা। তবে সঙ্গে সঙ্গে ইহাও সত্য যে, পরকালের এই শ্রেণীর ব্যাপারগুলির প্রকৃত স্বরূপ কি, তাহা আমরা জানি না, জানা আমাদের পক্ষে সম্ভবপরও নহে । so H সে আগুণের ইন্ধন হইবে মানুষ ও পাথর'—এই আস্থতে পাথর ইন্ধন হইবে ইহার অর্থ কি ? আধুনিক লেখকেরা এ ক্ষেত্রে গন্ধক, পাথরী কয়লা প্রভৃতির নজির দিয়া বলিতেছেন—পাথর ইন্ধন হওয়াতে আশ্চর্য্যের কথা কিছু নাই। কথাটা ঠিক, কিন্তু আমা • দের মনে হয়—আয়তের অর্থ ইহা অপেক্ষা আরও গভীর। সৰ্ব্ব প্রথমে ইন্ধন শব্দটা বুঝিতে হইবে। ইন্ধনের দ্বারা দুই প্রকার কাজ হয়—প্রথম, আগুণ ছিল না—এমত অবস্থায় ইন্ধনের সাহায্যে আগুণ জালান। দ্বিতীয়,আগুণ আছে— এমূর্ত অবস্থায় ইন্ধনের দ্বারা সে আগুণকে প্রজ্জলিত অবস্থায় রক্ষা করা বা তাহার হলককে আরও উগ্র করিয়া তোলা। বিশ্ব স্বষ্টির হাজার হাজার বৎসর পূৰ্ব্বে নরকের সৃষ্টি হইয়াছিল —এ কথা বহু ছহি হাদিছে স্পষ্ট ভাবে বfಶ হইছে আলোচ্য আয়তের শেষভাগেও ইহার তি ইঙ্গিত করা হইয়াছে। সুতরাং মানুষ ও প্রস্তর যে প্রথম অর্থে নরকের ইন্ধন হইতে }রেন, তাহ বেশ জানা যাইতেছে। দ্বিতীয় অর্থ গ্রহণ করিলে এই সমস্ত উপস্থিত হয়