পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৮৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুর, ৩য় রুকু ] জাম্বৰত—কালল ૭૧ যে, মানুষ ও পাথর এ অবস্থায় ত দুনার সকল প্রকার আগুণেরই ইন্ধন হইতে পারে— সুতরাং &y U-u use,ণ্ড কে দোজখের আগুণের বিশেষ লক্ষণ বা ১০ এao কুপে” ব্যবহার করার আর কোন সার্থকতাই থাকে না। শাহ আবদুল আজিজ আয়তের তফছিরে ( ১–৯০ ) ইহাকে “অতি কঠিন সমস্তা” বলিয়া বর্ণনা করিয়াছেন এবং তিনি “আগুণ” শব্দের যে তফছির করিয়াছেন, তাহাতে এই সমস্তার সমাধান হইয়া যায় বলিয়া প্রকাশ করিয়াছেন। এই জন্য শাহ ছাহেবের বক্তব্যটা র্তাহারই কথায় উদ্ধত করিয়া দিতেছি ঃ– ر آن آتشی آتشی غضب الهی است که سبب اشتعال آری ابتد ۶ از جنسی مردم کفارنان را از جنس مخلوقات دیگر بتان - الغ - فتم العزیز " جا ، ص ۹۰ - অর্থাৎ—“আয়তে অগ্নি অর্থে আল্লার গজবের আগুণকে বুঝাইতেছে । এই মাগুণ প্রজ্জলিত হওয়ার প্রথম কারণ হইতেছে না-ফর্মান মানব সমাজ আর প্রস্তর— সাধারণতঃ যাহা দ্বারা পুতুল গড়িয়া তাহাকে আল্লার আসনে বসাইয়া দেওয়া হয় ।” কোন কোন তফছিরকারের মতে এখানে ‘প্রস্তর' অর্থে কাফেরদিগের প্রস্তরবৎ কঠিন হৃদয় । কাফের বলিতে তাহার হৃদয়কেও বুঝায় বটে, কিন্তু আলোচ্য অপকৰ্ম্মে যেহেতু তাহার মনই হইতেছে প্রধান অপরাধী, সেই জন্য আমাদের মতে প্রস্তরের এই অর্থ : অধিকতর সঙ্গত। আম্পারার হোমাজা চুরায় স্পষ্টতঃ বলা হইয়াছে—“আল্লার সেই প্রজ্জলিত হুতাশন—যাহা হৃদয়গুলিকে স্পর্শ ( আক্রমণ ) করিয়া থাকে।” ( ৬–৭ ) । এই আয়ত হইতে শেষোক্ত অর্থের সমর্থন হইয়া যাইতেছে । + سسه آffs-Ft Ta یا جنسنتی هن জেন’, ‘জান', 'জান্নত ও জিনিন (ভ্রণ) প্রভৃতি একই ‘জ-নু ধাতু হইতে উৎপন্ন। উহার অর্থ প্রচ্ছন্ন হওয়া বা করা। লোক চক্ষু হইতে প্রচ্ছন্ন থাকে বলিয়৷ 'জেন'কে 'জেম' . ও মাতৃগর্ভস্থ ভ্রণকে জিনিন বলা হয়। ঘন সন্নিবেশিত বৃক্ষরাজি শাখা প্রশাখা বা তাহার ছায়া দ্বারা সংলগ্ন স্থানকে আচ্ছাদিত করিয়া ফেলে বলিয়া কাননকে জুন্নিত ' বলা হয়। । বেহেশতের সুখ সম্পদ বা তাহার কানন কলাপের প্রকৃত স্বরূপ এখন প্রচ্ছন্ন আছে-এই 母朗 বেহেশতকে জগন্নত বলা হইয়াছে । ( রাগেব, বায়জাভী প্রভৃত্ত্বি ) । কোরআন-হাদিছে বেহেশত সম্বন্ধে যে সকল বিবরণ প্রদত্ত হইয়াছৈ, সেগুলিকে একুত্রে বিচার করিয়া দেখিলে জানা যাইবে যে, তাহার প্রকৃত স্বরূপ মাতুষকে অবগত করা হয় নাই । বর্তমান অবস্থায় তাহার সম্যক ধারণ করাও মানুষের পক্ষে সম্ভবপর নহে। সেই জন্য বিভিন্ন স্তরের জ্ঞান সম্পন্ন মাহুষের জন্ত আহাদের জ্ঞানের-স্তর অঙ্কুসারে রূপক ভাবে তাহার কতকটা পরিচয় দেওয়া হইয়াছে মাত্র। এবনে-মাজ বাহকী প্রভৃতি ওছম বেনজাএদের প্রমুখাৎ বর্ণন করিয়াছেন ষে, হজরত রচুলে করিম জান্নত কে এক 'দীপ্তিক J