পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৮৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুর, ৩য় রুফু | জীবনহীন ' ' વૈચ્છિ. ও স্বদেশবাসীদের প্রতি তাহদের যে কৰ্ত্তব্য আছে, তাহা তাহর আদো পালন করে না। অধিকন্তু—আয়তের শেষ ভাগে বলা হইতেছে—তাহার দেশে ফাছাদ বা বিপৰ্য্যয় উপস্থিত করিয়া থাকে। নীচ প্রবৃত্তির বশবর্তী হইয়া মদিনীর মোনাফেক'গণ বিদেশী শত্রুদিগের সহিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হইত, মদিনায় -Loা ১. সৰ্ব্ব জাতি ও সৰ্ব্ব ধৰ্ম্ম সমন্বয়ে সাধারণ তন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও তাহারা বিদেশী শত্রুদিগের দ্বারা মদিনা আক্রমণ করাইবাবু— স্বদেশের শান্তি ও স্বাধীনতাকে বিপৰ্য্যস্ত করার দুরভিসন্ধিতে তন্ময় হইয়া থাকিত । আয়তের শেষ ভাগে মোনাফেক দিগকে ‘খাছেরূণ' বলা হইয়াছে। ব্যবসায়ে যাহার মূলধন নষ্ট হইয়া যায়, সেই সৰ্ব্বস্বান্ত বণিককে বলা হয়—'খছের । এখানে তাৎপৰ্য্য এই যে, তাহার ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি হওয়াও সম্ভবপর হইবে না। এহেন কৰ্ত্তব্যজ্ঞানহীন মানব সৰ্ব্বতোভাবে ধ্বংস হইয়া যায়—এবং ইহাই হইতেছে তাহার অপকৰ্ম্মের সাক্ষাৎ প্রতিফল । –জীবনহীন ঃ | تہرات 9۹. মাতৃগর্ভে সঞ্চারিত হওয়ার পর মানুষের একটা স্বতন্ত্র অস্তিত্বের স্থত্রপাত হয়—দ্রুণ আকারে । ভ্রণ তখন থাকে জীবনহীন অবস্থায় । তাহার পর জীবন লাভ করিয়া যথা সুময়ে তাহা মানব আকারে ভূমিষ্ঠ হয়। কিছু কাল পরে সেই মানুষ আবার মরিয়া যায়। এই মরার পর আল্লাহ আবার তাহাকে জীবন দান করিবেন—এবং তাহার কিছু কাল পরে সে আবার আল্লার পানে ফিরিয়া যাইবে । এই ষে জীবন-মরণ পরম্পরার অবিরাম ধারা, ইহার কারণ বা কৰ্ত্তা কি কেহই নাই ? বিভিন্ন স্তরের জ্ঞান সম্পন্ন মাতুব এই সহজ প্রশ্নটার সক্ষত । উত্তর দিবার জন্য আপন আপন জ্ঞান অনুসারে যতই চন্থ করিতে থাকিবে, আল্লার অস্তিত্ব অস্বীকার করা তাহার পক্ষে ততই অসম্ভব হইয়া দাড়াইবে । বৈজ্ঞানিকের সমস্ত উদ্ভিদ ও জীবের মূল উপকরণ বলেন-প্লোটােপ্লাজম বা জীবন-রস বলিয়া একটা বস্তুকে । তাহারা বলেন—পৃথিবীটা একটা অগ্নিগোলকের মত ছিল। কালুক্রমে তাহার উত্তাপ হ্রাস পাইয়া আসিলে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের সংমিশ্রণে সেখানে পানির কৃষ্টি হইল। তাহার পর পানির সঙ্গে কার্বন, নাইট্ৰজেন ও গন্ধক প্রভৃতির সংমিশ্রণে এই জীবন-রস বা প্রোটােপ্লাজমের উৎপত্তি হইল। পক্ষান্তরে তাহদের মতে সমস্ত উদ্ভিদ ও জীবদেহের মূল হইল সেল বা রসকোষ। প্রথমে এই জীবন-রস একটা মাত্র রসকেী অবস্থান করে। তাহার পর বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়া ক্রমবিকাশের পর এাওটাের্জিওয়াতে তাহার পরিণতি। এ অবস্থায় আহাৰ্য্য গ্রহণ }^3 - 434 - এL৫৭ তাহাতে বিদ্যমান থাকে । এই প্রটোপ্লাজমের স্বষ্টি আর তাহাতে জীবনের উৎপত্তি সম্বন্ধে বৈজ্ঞানিকের কোন ফুক্তর দিতে পারেন নাই। লৰ্ড কেলভিনপ্রমুখ বৈজ্ঞানিকের তাই বলিয়ছেন—কোন কুক্ষচ্যুত খুঁহ হইতে এই জীবন জিনিষটা পৃথিবীতে নামিয়া আসিয়াছে।