পাতা:কৌত্তক বিলাস.djvu/৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কৌত্তক বিলাস । ৩৭ ঠাকুর দাসের নিবেদন কেমন তোমার হীরা করিৰ দশন ৷ হাসি রাজ। আপনার হীরা বারি করে। দেখ দেখি বলে দিল জহরির করে । জহরি প্রস্তর দেখে করে নিরীক্ষণ। মনেই দোষ তার ভাবে অনুক্ষণ ॥ক্ষণেক বি লম্বে কহে শুন মহারাজ। সহ মুদ্রায় এ হীরার নাহি কাজ । হাসি রাজ বলে কেন ইহার কি দোষ । তোমার প্রস্তুর নাকি এহতে স্বরস । জহরি বলেন রাজা ষড়া তাজ সম । কখন না হয় ত্তল সত্ত আর তম ৷ রাজা বলে সে কেমন কহু বিবরণ। শুনি কর যোড়ে ভূপে করে নিবেদন। আমার জহর পাকা নিদর্শষ প্রস্তুর । তে৷ মারীরায় আছে কীটের গহ্বর ভিতরে ফেফর আছে উপরে উত্তম ৷ এইতো প্রস্তুর তব কিবল কৃত্রিম ৷ তৰে হয় প্রত্যয় যদ্যপি ভাঙ্গ যায়। শুনি রাজ। আজ্ঞা দিল ভাঙ্গিতে তাহায় ৷ লাইর উপরে রার্থে উভয় জহর । লোহার মুদ্গর মারে তাহার উপর ফাঁপা ছিল রাজার প্রস্তুর চূর্ণ হয়। নীরট পাথর লাইর ভিতরেতে ষায় । হাস্যমুখে জহরি তো বলিছে বচন। নয়নে দেখিলে লোষ্ট্র, চিনি ততক্ষণ। রাজা বলে ভষ্ট হই তব গুণপনে চিরদিন রহ ত্তমি মম সন্নিধানে। যখন যে প্রয়োজন হইবে যে ধনে। ইঙ্গিতে কহিবে ভূমি আমারে গোপনে জহরির বহু বিদ্যা ছিল আগমেতে । মজিল দোহর মন দোহার সহিতে ॥ এক স্থানে সান পুজা তাহার