পাতা:খাদ্যতত্ত্ব.djvu/৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


একাদশ অধ্যায় өr=17 - ছন্ধ দুগ্ধও জাস্তব খাদ্য, কারণ দুগ্ধ জন্তুর দেহ হইতে প্রাপ্ত হওয়া যায়। স্থদ্ধ ও রক্তের উপাদান প্রায় একরূপ । খাদ্যের গৃহীত অংশ দেহের অঙ্গবিশেষে দুগ্ধ ও রক্তরূপে পরিবৰ্ত্তিত হয় । দুগ্ধের উপাদানে শর্করা, নবনী, ছানা, এবং কয়েক প্রকার লবণ ভস্মরূপে অবস্থিতি করে । এই সকল পদার্থ জলে মিশ্রিত হইয়া দুগ্ধ উৎপন্ন হয় । ভিন্ন ভিন্ন জন্তুর দুগ্ধে এই সকল উপাদান বিভিন্ন পরিমাণে অবস্থান করে । দুগ্ধ অতিশয় লঘুপথ্য। কেহ কেহ খালি দুগ্ধ গ্রহণ করিতে পারেন না । তাহারা দুগ্ধের সহিত সাগু বা বালি মিশ্রিত করিয়া অথবা দুগ্ধের অন্ত প্রকার খাদ্য প্রস্তুত করিয়া সচ্ছন্দে গ্রহণ করিতে পারেন । শিশু ও রোগীর পক্ষে দুগ্ধই একমাত্র খাদ্য । দুর্ভাগ্যক্রমে ভারতবর্ষে যেরূপ ভাবে দুগ্ধের ব্যবসা চলিতেছে তাহা চিন্তা করিলে শরীর রোমাঞ্চিত হয় । কলিকাত সহর ও সঙ্কুরতলীতে দুগ্ধ দোহন করিতে গোপগণ যে নিষ্ঠুর প্রণালী অবলম্বন করে, তাহ পৃথিবীর কুত্ৰাপি দৃষ্ট হয় না । গোপগণ গাভীর গর্ভে বাশের চুঙ্গ প্রবেশ করাষ্টয়া ফুক দেয় ; ইহাতে রক্তমিশ্রিত দুগ্ধ গাভীর স্তনে প্রবেশ করে। পরে গোপগণ এই দুগ্ধ দোহন করিয়া লয়। তখন গাভী যন্ত্রণায় ছট ফট, করিতে থাকে । কিন্তু নির্দয় গোপের প্রাণে কখনও দয়ার উদ্রেক হয় না । বলা ৰাহুল্য মাত্র যে এই দুগ্ধ অতিশয় অস্বাস্থ্যকর । হিন্দুগণ গভীকে মাতৃরূপে পূজা করে। কিন্তু এই হিন্দু গোপগণ কখনও গাভীর প্রতি দয়া প্রকাশ করে না । তাহারা গাভীদিগকে যে কিরূপ কদৰ্য্যভাবে রাখে তাহ