পাতা:খাদ্যতত্ত্ব.djvu/৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দুগ্ধ ዓ¢ বর্ণনা করা অসাধ্য। তাহারা কদাচিৎ গোয়ালঘরের মলমুত্র পরিষ্কার করে । গাভীগণ এই মলমুত্রযুক্ত ক্লেদের উপর শয়ন করে । এই ক্লেদ দুগ্ধ দোহন কালে দুগ্ধে পতিত হয় । ইহাতে দুগ্ধ বিষাক্ত হইবে না ८कन ? ইহা সম্পূর্ণরূপে প্রমাণিত হইয়াছে যে টাইফয়েড, জর, কলেরা, ধনুষ্টঙ্কার, ডিপথেরিয়া প্রভৃতি মারাত্মক পীড়ার বীজ-মিশ্রিত জল দুগ্ধে মিশ্রণ করায়, এই সকল ব্যাধি মনুষ্য শরীরে প্রবেশ করিয়া বহু লোকের জীবন সংহার করে । বিষাক্ত জল দুগ্ধে মিশ্রিত করিলে দুগ্ধত বিষাক্ত হইবেষ্ট, এমন কি বিষাক্ত জলে হুগ্ধের পাত্র ধৌত করিলেও দুগ্ধ বিষাক্ত হইয়া থাকে গাভীকে বিষাক্ত জল পান ও বিষাক্ত খাদ্য গ্রহণ করিতে দিলেও দুগ্ধ বিষাক্ত হয় । এতদেশীয় গোপ ও অন্তান্ত দুগ্ধ ব্যবসায়ী চাষা লোক এ বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞ । তাহারা গাভীর খাদ্যাখাদ্য সম্বন্ধে কিছুই বিচার করে না ; পরস্তু দুগ্ধে ডোব নালার দুষিত জল মিশ্রিত করিতেও ইতস্ততঃ করে না। অতিশয় পরিতাপের বিষয় এই যে যাহার এই দুগ্ধ পান করেন র্তাহারাও ফুগ্ধের বিশুদ্ধত সম্বন্ধে কখনও চিস্ত করেন না । বিষাক্ত দুগ্ধ পান করিয়| এতদ্দেশীয় হাজার হাজার শিশু সস্তান পিতা মাতার অঙ্ক শূন্ত করিয়া প্রস্থান করে । যতদিন শিশু মাতৃস্তন্ত পান করে, ততদিন তাহার কমল নধর দেহ দর্শন করিয়া পিতা মাতা আনন্দে পুলকিত হন, কিন্তু যেই খরিদা দুগ্ধ প্ৰবৰ্ত্তন, অমনই শিশুর অজীর্ণ রোগের আবির্ভাব । শিক্ষিত সম্প্রদায় দুগ্ধের ব্যবসা নিজেদের হাতে গ্রহণ না করিলে কখনও এতদেশ হইতে এই অকাল মৃত্যু তিরোহিত হইবে না । অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য ব্যতীত দুষিত কিম্বা বিশুদ্ধ ছন্ধের পার্থক্য নির্দেশ করা যায় না । অণুবীক্ষণ যন্ত্রস্থ উভয়বিধ দুগ্ধের প্রতিকৃতি নিম্ন স্থলে প্রদত্ত হইল :