তখনও কিন্তু আমার সেই পূর্ব্বের মতনই বন্ধনদশা! আমি জাগিবামাত্র সকলে পলাইয়া গেল, কাজেই তখন কারণটা জানিতে পারিলাম না।
তারপর, সমস্ত দিন ধরিয়াই, রাজধানীর পথে চলিলাম; পথ আর ফুরায় না, অথচ পথ আধ মাইলের বেশী নহে। রাত্রিতে, সেই রথের উপরেই শুইয়া কাটিল; আমার উভয় দিকে প্রায় সহস্র সশস্ত্র শাস্ত্রী, কেহ বা মশাল, কেহ বা তীরধনু লইয়া, আমায় পাহারা দিতে লাগিল।
পরদিন প্রাতঃকালে, সূর্য্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে, আবার আমরা চলিতে লাগিলাম। যখন মধ্যাহ্ন, তখন রাজবাড়ীর ফটকের নিকটে আসিয়া পৌছিলাম। সংবাদ পাইয়া, সম্রাট স্বয়ং, পারিষদবর্গ লইয়া আমাকে দেখিতে আসিলেন। কিন্তু তাঁহাদের পরামর্শ মতে, তিনি আমার দেহের উপর উঠিয়া বেড়াইতে নিরস্ত রহিলেন, পাছে তাঁহার কোনও রূপ বিপদ ঘটে।
যেখানে আমার রথ থামিল, তাহার নিকটেই এক পরিত্যক্ত পুরাতন দেবমন্দির ছিল; সে রাজ্যে তাহা অপেক্ষা বৃহৎ দেবালয় বা কোনও প্রকারের গৃহ ছিল না। এক সময় এই মন্দির মধ্যে কে একজন অপর একব্যক্তিকে নৃশংসরূপে হত্যা করিয়াছিল, সেই অবধি এ দেবালয়ের