থাকিয়া, স্বহস্তে বীরত্বের পুরস্কার বিতরণ করিতেন। একদিন আমি আমার রুমালের চারি কোণে চারিটি খোঁটা বাঁধিয়া, সেগুলি মাটীতে পুতিলাম, এবং সম্রাটের অশ্বারোহীদিগের মধ্যে সর্ব্বাপেক্ষা সাহসী কয়েকজনকে অশ্বসহ সেই রুমালে তুলিয়া দিলাম! তাঁহারা বেশ স্ফুর্ত্তির সহিতই সেই রুমালের উপর অশ্বচালনার কৌশল দেখাইতে লাগিলেন! সম্রাট্ ও উপস্থিত সকলে তাহা দেখিয়া আনন্দ উপভোগ করিলেন। ক্রীড়া সমাপ্ত হইলে আমি একে একে সকলকেই অশ্বসহ আবার ভূতলে নামাইয়া দিলাম।
একদিন সম্রাটের কি খেয়াল হইল, আমায় পা ফাঁক করিয়া দাঁড়াইতে বলিয়া, তাঁহার একদল সৈন্যকে সেই ফাঁকের মধ্য দিয়া যাইতে আদেশ দিলেন। দলে দলে নিশান উড়াইয়া, বাদ্য বাজাইয়া, তিন সহস্র পদাতী সৈন্য ও এক সহস্র অশ্বারোহী সৈন্য, সগৌরবে সদর্পে আমার পায়ের ফাঁক দিয়া পার হইয়া গেল! এক এক সময় আমি মাটীতে হাত পাতিয়া থাকিতাম, আর সুশিক্ষিত অশ্বগণ আরোহী পৃষ্ঠে করিয়া, লাফাইয়া তাহা পার হইয়া, বাহাদুরী লইত! একদিন আমি দাড়াইয়া আছি, এমন সময়ে একজন সৈনিকপুরুষ অশ্বপৃষ্ঠে আসিয়া, আমার জুতাশুদ্ধ পা লাফাইয়া গেলেন! অশ্বের ও আরোহীর এরূপ নিপুণতা