পাতা:গল্পস্বল্প.djvu/১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


( t ) খুজিয়া পাওয়া যায় ন; তার প্রতি সৰ্ব্বদাই নজর রাখিতে হয়।” উভয়ের এইরূপ কথাবার্তা হইতেছে এমন সময় সুরেন্দ্র বলিল—“কি রমেশ, কি কথা হইতেছে ?” রমেশ সে কথায় কাণ না দিয়া একটু বিরক্তির ভাবে বালি কাকে বলিল—“তুমি হাজার কথা না বলিয়া কি শুধু জিনিসের নামটি বলিতে পার না?* * বালিকা একটুথতমতখাইয়াবলিল,“আমি সুযোগ হারাইয়াছি।” সুরেন্দ্র এই কথা শুনিয়া হাসিয়া বলিল, “হা হা হা—বাস্তবিক সুযোগ হারান বড় কষ্ট। আমি কিন্তু সে বিষয়ে বড়ই সাবান। আজ সকালে আমার পড়া হয় নাই বলিয়া ছপরু বেলা বাবা আমাকে পড়িতে বলিদুন, বাবা যতক্ষণ বাড়ীতে ছিলেন ততক্ষণ কাজেকাজেই পড়িতে হইল। কিন্তু যেই বাবা বাহিরে গিয়াছেন অমনি আমি পলাইয়া আসিয়াছি—এমন সুযোগ আমি হারাই!” সুষম বলিল, “এ বুঝি সুযোগ! মন্দ কাজ করিতে যে সময় পাওয়া যায় মা তাকে “কুযোগ” বলেন। সেত হারানই ভাল। তুমি যে তোমার বাবার কথা শুনিলেন—তুমিও ত একটি সুযোগ হারাইলে—তবে আবার অত জাক করিতেছ কেন?” সুষমার কথা রমেশেরও বড় ভাল লাগিল না-কারণ সেও ত মায়ের কথা শোনে নাই। বলিল, “ও কথা যাক,—তুমি কিসের সুযোগ হারাইয়াছ ? বালিকা বলিল, “আমি ট্রেন-দিমার বাড়ী গিয়াছিল, সে নিমি আমাকে একট টাকা দিছিল। মু আয় দেড়ি বললেন, 'আরে সুধি, তুই টাকা পেয়েছিল, বেশ!