পাতা:গল্পস্বল্প.djvu/৪৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


( ৪৩ ) কাহারও অধিকার নাই, কিছু না কহিয়া না বলিয়া তাড়াতাড়ি আসিয়াই"ী কুমুমকে এক চড় মারিল, কিন্তু চড় মারিয়া হাত সরাইয়া লইবার সময় সেই ফুলগাছের পাতার কাটায় তাহার হাত ছড়ির গেল, ছড়িয়া রক্ত পড়িতে লাগিল। কুমুমের প্রাণে বড় বেদন লাগিল ও লক্ষ্মী যে তাঁহাকে মারিয়াছে, লক্ষ্মী যে তাহার ধুতি অত্যাচার করে সে তাহ ভুলিয়া গেল। কাদ কাদ চোখে কুসুম লক্ষ্মীকে ধরিয়া পুষ্করিণীর তীরে আনিয়া বসাইল, তাহার পর আপনার আঁচল ভিজাইয়া তাহার হাতে বার বার জল দিতে লাগিল। লক্ষ্মী কাহারো নিকট এরূপ প্রতিশোধ পায় নাই, লজ্জায় অনুতাপে সে মরিয়া গেল। কুসুমের ব্যবহারে তাহার হৃদয়ের একটি লুক্কায়িত তারে আঘাত লাগিল, এতদিন অন্যকেহ সেতার স্পর্শ করিতে পারে নাই। সে যেন আজ সহসা দিব্য জ্ঞান লাভ করিয়া কিয়ৎক্ষণ পরে বলিল—“কুসুম, আজ তুমি আমাকে যাহা শিক্ষা দিলে এ পর্য্যন্ত তাহ আমাকে কেহ শিখায় নাই। তোমার এ উপকার আমি জন্মে ভুলিব না; এই ব্যাপার মনে করিয়া আমি এখন হইতে তোমার মত হইতে চেষ্টা করিব।”

  • সেই পৰ্য্যন্ত সত্যই লক্ষ্মীর স্বভাব একেবারে পরিবর্তিত হইয়া

গৈল। আর লক্ষ্মীকে কাহারে প্রতি অক্টাচার করিতে দেখা যায় না। যখনি অভ্যাস বশতঃ লক্ষ্মী কাহাকেও মারিতে যায়, অমনি সেই দিনকার ঘটনাটি মনে পড়ে, অমনি তাহার মনে অমৃতা,জাগিয়া উঠে, এবং তংক" অষ্টা কৰ্ম্ম হইতে বিরত হইয়া কুসুমের মতু ভাল হইতে৭ংকল্প করে। - , এইরূপে #লী ধাইলা । ঘড়াইল।