পাতা:গল্পস্বল্প.djvu/৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


( 8१ ) সেইখানে আসিয়া উপস্থিত হইল। তাহাকে দেখিয়া ভাগ্যদেবী সহাস্ত মুখে জিজ্ঞাসা করিলেন—“কোথা হইতে আসিতেছ? দেখিয়াত বোধ হইতেছে পৃথিবী হইতে। সেখানকার খবর কি?” পত্নী বলিল—“খবর বড় ভাল নহে। লোকে কেবল সেখানে নিজের ভাগ্যের আর তোমার নিনা করিতেছে। বাস্তবিক তোমার ভাণ্ডারে ধন মানুশ প্রভৃতি মানবের প্রার্থনীয় বস্তুর কিছুরই অভাব নাই-তুমি ইচ্ছা করিলেই লোককে মুখী করিতে পার, তবে কেন কর না? আমি যদি তোমার কাজে থাকিতাম— তাহাহইলে কেহ দুঃখ পাইত না।” ভাগ্য দেবী ক্রুদ্ধ হইয়া বলিলেন—“বেশত তুমি কিছু দিন আমার কাজ করিয়া দেখ না মানুষকে সুখী করা কেমন সহজ।” এই বলিয়া ভাগ্য দেবী তাহার ধন ভাণ্ডারের চাবি পরীর হাতে দিলেন। পরী ভাগ্যদেবীর ভাণ্ডার খুলিয়া তাঙ্গার শোভায় মোহিত হইয়া গেল। ভাণ্ডারটি তিন ভাগে বিভক্ত। প্রথম কক্ষটি ধন ভাণ্ডার— অগণ্য হীরা মুক্ত, মণি কাঞ্চনের জ্যোতিতে কক্ষ আলোকিত, এই আলোকসাগরে পড়িয়া পরীর চক্ষু যেন ঝলসিয়া যাইতে .*লাগিল। দ্বিতীয় কক্ষটি মান যশ বিদ্ধ বুদ্ধির ভ}ণ্ডার, ইহার দিগন্তু ব্যাপী সৌরভে পীর হৃদয় মুগ্ধ হইয়া পড়িল। তৃতীয় কক্ষে বাহমোহকর বস্তুকিছু ছিলনা, এই কক্ষে প্রবেশ করিব মা একট অপূর্ব শক্তিতে তামুয়নপ্রাণ পরিপূর্ণ হইয়া উঠিল। এই কক্ষটি ভাগ্য দেবীর সাররত্বের ভাঙার,—সন্তোষ ও প্রেম এই দুইটিমাত্র রত্ন এখানে রক্ষিত ।