পাতা:গল্পস্বল্প.djvu/৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


( 48 ) কৃতজ্ঞতা | ধন্যস্ত কস্তচিল্লোকে হৃদয়ং তালিস্কৃতম্। বিরাজতে সদা যত্র মহারত্বং কৃতজ্ঞত ॥ এই পৃথিবীতে তিনিই ধুন্ত, তাহার হৃদয়ই অলঙ্কত যাহার হৃদয়ে মহীরত্ব কৃতজ্ঞতা সতত বিরাজিত। ” কেহ উপকার করিলে সেই উপকার অনুভব করিয়া উপকারক ব্যক্তির প্রতি হৃদয়ের যে সম্ভাব ও অমুরাগের উদ্রেক হয় তাহাই কৃতজ্ঞতা । উপকার পাইয় যে ব্যক্তি কৃতজ্ঞ না হয়—সে নিতান্তই নীচ প্রকৃতির লোক। আমাদের শাস্ত্রে কৃতজ্ঞতা সকল পাপের অপেক্ষা মহত্তর পাপ বলিয়া গণিত। নিম্নলিখিত গল্পটি কৃতজ্ঞতার একটি আদর্শ দৃষ্টান্ত। নেপোলিয়নের মাত একদা নেপোলিয়ন ও তাহার ভাগনী ইলিজ এই দুই জনকে প্রজাপতি ধরিবার একটি জাল দিয়া বাড়ীর বাগানের মধ্যে খেলিতে অনুমতি প্রদান করেন, কিন্তু, বাগানের বেড়ার বাহিরে যাইতে নিষেধ করিয়া দেন। তাহারা জাল পাইল মহাননে বাগানে খেলা করিতেছেন— এমন সময় একটি ক্ষুদ্র প্রজাপতির প্রতি তাহাদের দৃষ্টিশ্বড়িল, অমনি তাহারা অন্য খেলা ফেলিয়া সেইটি ধরিতে ছুটলেন। প্রজাপতি বাগানের বাহিরে গেল। মাতার নিষেধ ভুলিয়া নেপোলিয়নও তৎক্ষণাৎ বেড়া ‘ਬਿਜ করিমেন, এবং ইলিজাকেও ধরিয়া বেড়ার বাহিরে নামাইয়া লইলেন। মনের উচ্ছাসে ছুটিতে ছুটতে