পাতা:গল্পস্বল্প.djvu/৮১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


( १४ ) ইলিজা একটি ডিম্ব বিক্রেত্ৰী বালিকার উপর আসিয়া পড়িলেন। ইহাতে বালিকার মস্তক হইতে ডিমের ঝুড়িটি ভূমিতলে পড়িয়া গিয়া তাহার সমস্ত ডিম্বগুলিই প্রায় ভাঙ্গিয় নষ্ট লইয়া গেল। বালিক র্কাদিতে লাগিল । ইলিজা তাহাতে ভীত হইয়া নেপোলিয়নকে বলিলেন “চল ভাই আমরা পালাই। ৫ মেয়েটি আমাদের চেনে না, চেনা লোক কেহ দেখিবার আগে আমরা বাড়ী পেছিব।” নেপোলিয়ন বলিলেন “না আমি পলাইব না। দেখিতেছ ন মেয়েট কাদিতেছে? আমরা উহার ক্ষতি করিয়াছি—যতদূর পারি এখন তাহ পূরণ করিতে আমাদের চেষ্টা করা উচিত"। ইলিজ একটু লজ্জিত হইয়া পড়িলেন,—কারণ ক্ষতি তিনিই করিয়াছেন, অথচ তিনি নিজেই পলাইতে চাহিতেছেন। এদিকে মেয়েট অত্যন্ত কঁাদিতে কঁাদিতে বলিল—“এই ডিম বিক্রয় করিয়া যাহা কিছু পয়সা পাওয়া যাইত, তাহাতে আমদিগের পরিবারের তিন দিন আহার চলিত। এখন আমি কি করিয়া আমার শয্যাগত মাত এবং ক্ষুধিত ভ্রাতা ভগিনীদিগের নিকট গিয়া বলিব যে তিন দিন আর তাহারা আহার পাইবে না?” এই কথা শুনিয়া নেপোলিয়ন তাহার পকেট হইতে ২টা ফুরিন লইয়া তাহাকে দিয়া বলিলেন, “আমাদেরশাহ সাধ্য দিতেছি তুমি আর কাদিও না।” তাহাদিগের দৈনিক জলখাবার কিনিবার এই ফ্লরিন দুইটা নেপোলিন্স বালিকাকে দান করিলেন দেখিয়া ইলিজা ব্যগ্ৰ ভাবে বলিয়া উঠিলেন ভুই, ও কি করিলে? আমরা যে শুধু রুট ছাড়া জন কিছুই খাইতে পাইব না”।