পাতা:গল্পস্বল্প.djvu/৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


( ૧૭ ) নেপোলিয়ন বলিলেন “তা কি করিব ? আমাদো দোষে উহার কেন কষ্ট পাইবে?” । - এইরূপ কথোপকথন চলিতেছে, এমন সময় একজন দাসী আসিয়া বলিল নেপোলিয়নের মাতা তাহাদিগকে ডাকিলেছেন। নেপোলিয়ন সেই গরীব বালিকাকে আপনাদিগের অনুসরণ করিতে বলিয়া দাসীর সঙ্গে বাড়ী ফিরিয়া গেলেন। তাহার মাতা তাহদিগকে ভৎসনা করিয়া কহিলেন “আমি তোমাদিগকে বেড়ার অপর পারে যাইতে বারণ করিয়াছিলাম তোমরা আমার কথা রাখ নাই, ঐ জাল আর তোমরা পাইবে না, আমাকে ফিরাইয়া দাও”। নেপোলিয়ন এই কথা শুনিয়া বলিলেন “মা ইলিজার কোন দোষ নাই, আমিই প্রথমে বেড়ার ওদিকে যাইয়া উহাকে নামাইয়া লইয়াছিলাম”। নিজের দোষ কাটিয়া গেল দেখিয়াইলিজৗপ্রফুল্ল নয়নে ভ্রাতার দিকে চাহিল। ইলিজার মাতুল তখন এই ঘরে ছিলেন, তিনি নেপোলিয়নকে এইরূপ দোষ স্বীকার করিতে দেখিয়া সন্তুষ্ট হইয়া নেপোলিয়নের মাতাকে বললেন, “নেপোলিয়ন নিজের দোষ স্বীকার করিয়াছে অতএব আমার অনুরোধে উহাকে ক্ষমা কর।” ভ্রাতার অনুরোধে নেপোলিয়নের মা তাহাকে ক্ষমা করিলেন। ইলিজা তখন অশ্রপূর্ণ নেত্রে মামাকে বলিল “মাম তুমি আমার হইয়া মাকে একটু বলিবে না? আমি যে নেপোলিয়ন অপেক্ষাও বেশী দোষ করিয়াছি।” মাতুল বলিলেন “তোমার কি দোষ আগে বল পরে বিচার করিব”। ইলিজা তখন ডিম ভাঙ্গ হইতে আরম্ভ করিয়াসমুস্ত ঘটনাই বলিয়া গেল। বলা বাহুল্য ড়ে ইলিজাও ক্ষম প্রাপ্ত হইল। তখন নেপোলিয়ন’ৰ্তাহার মাকে বলিলেন “মা তুমি যদি দামাকে