পাতা:গল্পস্বল্প.djvu/৮৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


( ११ ) দুইটা ফ্রাঙ্ক ধার দাও তুবে আমি এখন এই বালিকাকে তাহার ডিমের মূল্য দিতে পারি”। * ম বলিলেন “কিন্তু বুঝিয়া দেখ, তাহা হইলে তুমি আর চারি মাসের মধ্যে কিছুই পাইবে না”। নেপোলিয়ন তাহাতেও সম্মত হইয়া ফ্রাঙ্ক দুইটা লইয়া বালিকাকে দিলেন। বালিকা সন্তুষ্ট হইল এবং পূর্ব প্রদত্ত ফুরিন ষ্টুটা ফিরাইয়া দিতে চাহিল। বালিকার এইরূপ সাব্যবহার দেখিয়া নেপোলিয়নের মাতা সন্তুষ্ট হইলেন, এবং নেপোলিয়নের অনুরোধে তাহাদিগকে সাহায্য করিবার ইচ্ছায় নেপোলিয়ন ও ইলিজাকে সঙ্গে লইয়া বালিকার অনুবর্তী হইলেন। তাহাদের বাড়ী গিয়া দেখিলেন বালিকার মা শয্যাগত এবং পাশে কয়েকট শিশু কঁাদিতেছে, ইলিজা ও তাহার ম৷ 'যাইয় তাহদের শুশ্ৰুষা করিতে" বসিলেন, এবং একটা বড় বালককে কিছুদূরে বসিয়া কাজ করিতে দেখিয়া নেপোলিয়ন তাহারই সহিত বসিয়া কথা কহিতে আরম্ভ করিলেন। •এই বালকের নাম জাকোপ । ক্রমে ক্রমে নেপোলিয়নের সহিত এই বালকটর বিলক্ষণভাব হইল। নেপোলিয়ন সৰ্ব্বদাই তাহাদের বাড়ী যাইতেন ও সাধ্যমত তাহাদের সাহায্য করিতেন জাকোপাও তাহার বন্ধুকে প্রাণের সহিত ভালবাসিত ওদেবতার "ন্তায় ভক্তি করিত। হায়! তাহাদেরৎ বন্ধুতার মুখ বেশী দিন রহিল না। দশম বৎসরে পড়িবামাত্রই নেপোলিয়ন জন্মের মত কর্সিক পরিত্যাগ করিয়া গেলেন, কাজেই তাহার বাল্যসধার নিকট বিদায় বইতে হইল। বাইবার সময় নেপোলিয়ন জাকোপাকে স্বনুমখোদিতgএকটা ক্ষুদ্র বল্প উপহার দিয়া গেন্ধে। জতুকাপা তাহ অতি আলীর সহিত গ্রহণ বুলি "