পাতা:গল্পাঞ্জলি.djvu/১০২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*Ꮼ গল্পাঞ্জলি বলিয়া কহিয়া অভ্যাজ নগদ মূল্যটা চাহিয়া লইবে । ভট্টাচার্য্যের দোকানে কাপড় দেওয়া রাইচরণ মোটেই পছন্দ করিত না । হাটের খরিদারের নিকট যে মূল্য পাওয়া যায়, ভট্টাচাৰ্য্য তাহা দেন না । তাহীও নগদ নছে । বিক্রয় করিয়া মূল্য দিয়া থাকেন। একটা ধারাবাহিক হিসাব চলিয়া আসিতেছে । মুল্য বাবদ যত টাকা পাওনা আছে বলিয়া রাইচরণ মনে মনে হিসাব করিয়া রাখিত, খাত দৃষ্টে ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয় তদপেক্ষ অনেক কম বলিতেন । প্রতিবাদ করিলে উত্তর দিতেন— “বাপু হে, আমার পাকা খাতায় লেখা রয়েছে, তুমি বল্লেই হবে ? জানত কথাই আছে, লেখার কড়ি বাঘে না খায় ।”—নিতান্ত দায়ে না ঠেকিলে রাইচরণ তাহার দোকানে কাপড় দিত না । গামছা জড়ান ধুতিগুলি বগলে করিয়া সে যখন দোকানে প্রবেশ করিল, ভট্টাচাৰ্য্য তখন হুক হাতে করিয়া, তহবিল বাস্ক সম্মুখে ব্লাথিয়া, পাক খাতা “দৃষ্টি” করিতেছিলেন । রাইচরণ প্রণাম করিয়া বলিল—“দাদাঠাকুর ছ যোড়া, ধূতি এনেছি—নিতে হবে।” “আচ্ছা দাও—কত দাম ?”—বলিয়া ভট্টাচাৰ্য্য ধুতিগুলির জমি পরীক্ষা করিতে লাগিলেন । রাইচরণ বলিল—“এ ছু-যোড়ার দাম চার টাকা ।” ভট্টাচাৰ্য্য হা হা করিয়া হাসিয়া বলিলেন—“চার টাকা কিরে ? থদের যে আমায় চার টাকা দেবে না ।” “কেন "দৈবে না দাদাঠাকুর ? অাণী-নব্বই নম্বর স্বতোর কাপড়, বিক্রী করে আপনার পাচ টাকা হবে ।” ভট্টাচাৰ্য্য বলিলেন—“ক্ষ্যাপা ! পাচটাকা কে দেৰে ? আর কি সে দিন মাছে ? ফুটাক ষোড়া বিলাক্তি ধুতির জমিটে একবার মিলিয়ে জুnখ দেখি । সে ছেড়ে, আড়াই টাকা ষোড়া দেশী কাপড় কে কিনবে