পাতা:গল্পাঞ্জলি.djvu/৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


やミ গল্পাঞ্জলি জানেন । হঠাৎ তাঙ্গর নিরুদ্দেশে, হেমাঙ্গিনীর কি অবস্থা হইয়াছে ! সে নিশ্চয় ভাবিতেছে, মনের দুঃখে নলিনী হয়ত বিবাণী হইয়া কোথায় চলিয়া গিয়াছে, নয় আত্মহত্যা করিয়াছে। হায়, সে অভাগিনী হয় ত অন্নজল পরিত্যাগ করিয়াছে। কে তাহাকে সংবাদ দিবে, কে দুইটা ভরসার কথা বলিবে ? ছেলেটির মেয়েটিরই বা কি অবস্থা হইয়াছে ? ঘরে তিনটি টাকা ছিল, এখন ৪ তাহারা অনশনে পড়ে নাই। কিন্তু আদালতের বিচারে নলিনীর যদি জেল হয়, তবে তাহারা কি খাইবে, কোথায় মাহবে ? হয়ত তাহার স্ত্রীকে ছেলেটি কোলে করিয়া মেয়েটর হাত ধরিয়া পথে ভক্ষা করিতে বাহির হইতে হুইবে । লৌহকারার মধ্যে বসিয়া বসিয়া নলিনী এইরূপ আকাশ পাতাল চিন্ত করে, আর তাহার চক্ষু হইতে দরদর ধারায় অশ প্রবাহিত হইরা সেই প্রস্তরময় কক্ষতল আদ্র হয় । রক্ষা তাঙ্গাকে নিয়মিত সময়ে খাদ্য দিয়া যায়, সে খাদ্যকে স্পশমাত্র করে । রাত্রে ও সে ঘুমাইতে পারে না, একাকী জাগিয়া বসিয়া থাকে। সোমবার দিন বেলা দশটার সময় তাহাকে বিচারার্থ গুক্তি র করা হইল । ঘণ্ট। দুই অপেক্ষা করিবার পর তাহার রাক পড়িল । _* ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেবের প্রশ্নে, যথার্থ যাহা যাঙ্গ ঘটিয়াছিল সমস্তই নলিনী বলিল । ইউরেশিয়ান সাহেব সাক্ষ্য দিল, সে একটা বিজ্ঞাপন দেখিতেছিল, এমন সময়ে আসামী বিজ্ঞাপনটি আড়াল করিয়া দাড়ায় । সাহেব তাই বিনীতভাবে আসামীকে একটু সরিতে অনুরোধ করে। ইহাতেই আসামী ক্রেধান্ধ হইয়া তাহাকে ভয়ানক রকম মারিতে আরম্ভ করিল। প্রস্টারের চোটে তাছার নাক দিয়া ঝর ঝর করিয়া রক্ত বহিয়াছিল, কনেষ্টবল ও সার্জেণ্ট সাহেব দেখিয়াছে।