পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/১০১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রজাপতির পরিহাস షిళని কত্তা বলিলেন, “ছেলে বাঁদ রাজি হয় ত এখনও হতে পারে। কোন্নগরের মাখযোদেয় সেই মেরেটির এখনও বিয়ে হয়নি। এ শনিবারে সরোকে ডেকে পাঠাব ? আর একবার ববিয়ে সবিয়ে দেখা যাক এস। অলঙ্কার, দানসামগ্রী এ সব ছাড়া নগদ পাঁচ DD DB BBBD D DD DD DDSBD DD DD D BB BB D DDB BB যেতে পারে। বাপের এই বিপদ শনলেও কি তার মন গলবে না ?” গিন্নী বলিলেন, "এদিকে ত মাতৃভক্তি পিতৃভক্তি খবই দেখায়। কিন্তু কথা বললে শোনে না, ঐ ত দোষ।” কত্তা বলিলেন, “ভক্তি-টক্তি নয়—ও সব শধে বচন—বচন! আজকালকার ছেলেদের ত ঐ রকমই হয়েছে কিনা ! মুখের সামনে দাঁড়ায় কার সাধ্য; কিন্তু কাজের বেলায় शुर्गझकाच्न !” স্বামীর মুখে পত্রে সম্বন্ধে এই মন্তব্য শুনিয়া গহিণীর মনে একটা আঘাত লাগিল । তিনি বলিলেন, “কিন্তু যে কথা সে বলে তাও ত কিছু অন্যায্য কথা নয়। সেবার বললে, দেখ মা, এই বরপণের অত্যাচারে মধ্যবিত্ত বাঙ্গালী গহস্থ জন্জর হয়ে রয়েছে; যে মেয়ের বাপ গরীব, তার ত কন্টের অবধি নেই। দেশের এই অমঙ্গল দরে করবার জন্যে আমরা কলেজের ছাত্ররা মিলে সমিতি করেছি, কত বক্ততা করে বেড়াচ্ছি, খবরের কাগজে কত প্রবন্ধ লিখছি, কত ছেলেদের খোসামোদ ক’রে ধরে এনে প্রতিজ্ঞা-পত্রে সই করিয়ে নিচ্ছি,-আমাকেই সকলে সেই সভার সম্পাদক করেছে ; এখন আমিই যদি পণ নিয়ে বিবাহ করি, তা হলে লোকসমাজে আর মুখ দেখাব কেমন করে ?—আমাদের বিষম দরবস্থা, তাই যা বল; কিন্তু ছেলের কথা ত অসঙ্গত নয়!" কত্তা বলিলেন, “সে ত সবই বুঝি। কিন্তু বাপের এই অপমান, এই দুঃখের চেয়ে সমাজে তার মুখ দেখাতে না পারার দুঃখ অপমানই কি এত বড় হ’ল ?” গহিণী এ কথার কোনও সদত্তের দিতে পারলেন না। যাহা হউক, শিখর হইল, এ শনিবারে বাড়ী আসিতে অনুরোধ করিয়া কলাই সুরেনকে পত্র লেখা হইবে। সরেন পাবে পাবে প্রতি শনিবার না হউক, এক শনিবার অন্তর বাড়ী আসিতই । ইদানিং বিবাহপণ নিবারণী সমিতি"র সম্পাদক হইয়া তাহার অত্যন্ত সময়াভাব ঘটিয়াছে। খুব উৎসাহের সঙ্গে কাজ চলিতেছে। তাই এখন সে মাসে একবার করিয়া বাড়ী আসে মাত্র। ইংরাজী মাসের প্রথম শনিবারে বাড়ী আসে, পিতামাতার সহিত সাক্ষাৎও করা হয়, মাসিক খরচের টাকাটাওঁ লইযা যায়। चिङौग्न नब्रिटलझन a बढ़वयकब्र कडाँबाख्ञान শনিবার সন্ধ্যার ট্রেণে সরেন আসিষা পেশছিল। সে দিন আর মা তাহাকে কিছুই বলিলেন না। পরদিন প্রাতে তিনি আহিক করিতে বসিয়া, পল্লকে ডাকিয়া পাঠাইলেন। সরেন মার কাছে আসিয়া জিজ্ঞাসনেয়নে তাঁহার প্রতি চাহিয়া রহিল। গহিণী তাঁহার আসনের নিমন হইতে উকীলের চিঠিখানি বাহির করিয়া পত্রের হাতে मिग्ना दर्ताळट्ठान, “शृक्ल ।” @ সরেন সেখানি পাঠ করিয়া মার হাতে ফিরাইয়া দিয়া বলিল, “তাই ত + এখন উপায় ?” মা বলিলেন, “তুমি, বাবা, উপযুক্ত ছেলে,—উপায় তুমিই কর।” সরেন নৈরাশ্যপণে স্বরে কহিল, “আমি কি উপায় করবো, মা ?” মা বলিলেন, “কেমগরের মখায্যেদের সেই মেয়েটিকে বিয়ে কর। এখনি নগদ পাঁচ হাজার টাকা পাওয়া যাবে।”