পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/১৪৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভল Sచిహి কলেজে পঠদ্দশাতেই হরিনাথ খন্টধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করিয়াছিলেন। শধে তাহাই DDDSDDDD DDDDB BDDDDB DDD DDD DD BBBD DDBBB BD DBBS DDBB BBDD D C D DDS ggD DSBBBBB BBD DDD DBDDBBDS সরকারী কাগজপত্রে এখনও তাঁহার নাম হ্যারি স্যান্ডেল—ঐ নাম সহি করিয়া মাসে आठन ८छान्ननग्न प्लेका आर्यानझा थाटकन, किन्ष्ट्र क्रािंठेश्रद्य णिथि८७ ७थन उन टैंग्रोशीब्रनाथ সান্যাল স্বাক্ষর করেন। বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে দেশে যখন স্বদেশী ভাবের বন্যা বহিল, তখন হইতেই তাঁহার এই মতি পরিবত্তান। ধন্ম, মানুষের অন্তরের জিনিষ, অপর কাহারও সহিত এ বিষয়ের কোন সম্প্রবন্ধ নাই—ষার মনের যা বিশ্ববাস তাই তার ধৰ্ম্ম-কিন্তু জাতীয়তা যে জন্মগত। খন্টধমে বিশ্বাস করেন বলিয়াই তাঁহাকে যে “সাহেব" হইতে হইবে এমন কোন কথা ত নাই-ই, বরং তাহা হইতে চেন্টা করাই স্বজাতি ও স্বদেশদ্রোহিতা। একদিন কৌতুহলবশতঃ স্যান্ডেল সাহেব কলেজ স্কোয়ারে বিপিন পালের বক্সত শনিতে গিয়াছিলেন। বক্ততাটি শেষ পৰ্য্যন্ত শ্রবণ করিয়া রামালে চোখের জল মছিয়া, গোলদীঘি হইতে বাহির হইয়া সোজা তিনি ফ্রেন্ডস সোসাইটীর কাপড়ের দোকানে প্রবেশ করেন এবং পকেটে যে কয়টি টাকা ছিল, তাহা দিষা মিলের ধতি ও শাড়ী ক্ৰয় করিয়া বাড়ী আসেন। বহুকাল যাবৎ তিনি ধতি পরিত্যাগ করিষাছিলেন—বাড়ীতে পায়জামা সটেই ব্যবহার করিতেন। সেদিন, আপিসের ইংরাজি পোষাক ছাড়িয়া, নতন ধতি একখানি পরিধান করিলেন। ভাবের আবেশে, সেই কোরা ধতির গন্ধটিও যেন তাঁহার আতর গোলাপের তুল্য মনে হইল। মিসেস স্যান্ডেল অবশ্য পাব হইতেই—বাড়ীতে বিলাতী ও বাহিরে যাইতে হইলে দেশী শাড়ী পাঁরতেন। স্বামীব অনুরোধে তিনিও বিলাতীর পরিবত্তে সবদেশী মিলের শাড়ী ধরিলেন। পাঁচ বছরের মেয়ে লীলার নাম ছিল তখন লিলি—বা লিল—তাহাকে হরিবাব, লীলাবতী করিলেন। পিতাকে সে ড্যাডি ও মাতাকে মশিম বলিত, তাহাকে বাবা ম৷ বলিতে শিখাইলেন। টেবিল চেয়ারের পরিবত্তে কবলের অাসন পাতিয়া ভাত খাওয। প্রচলিত হইল। জীবনযাত্রা প্রণালীতে দেশীয় প্রথা অবলম্বনে কিছু ব্যয়লাঘবও হইল। একে মেয়েটি কালো, তায় তাঁর নিজের তেমন অথ-সামথ্য নাই—বিবাহেব জন্য ভাল ঘর বর যটিবে কি না তাহা ঈশ্বরই জানেন—না যদি জোটে, তাহা হইলে ভবিষ্যতে মেযেটা কন্টে না পড়ে, এই মনে করিয়া, হরিনাথবাব তাহাকে ডাক্তারি পড়িবার জন্য ক্যাবেল স্কুলে ভত্তি করিয়া দিযাছিলেন। লীলা আজ দুই বৎসব হইল কাবেল হইতে পাস করিষা বাহির হইয়াছে। মেয়েব প্রাকটিসের সুবিধার জন্য হরিনাথবাব গলিমধ্যে পর্বে বাসা ত্যাগ কবিয়া এলগিন বোড়ে উঠিয়া আসিলেন। এই দুই বৎসরেই লীলা কিছু কিছু উপাজান করিতে আরম্ভ করিয়াছে। বয়সও কম, ব্যবসাযেও নতেন ব্রত", তাই লোকে এখনও তাহার চিকিৎসার প্রতি তেমন আপথা পথাপন করিতে পাবে নাই। তবে চিকিৎসায় যত হউক না হউক, ধাত্রীবিদ্যা ও প্রসতি-পরিচয্যা সম্বন্ধে লীলার বেশ সনামই হইয়াছে। o পৰব বাণত যবেক সরোজ বায়ের সহিত ইহাদের পরিচয় এক বৎসর মাত্র। সরোজ পবে ইটিলিতে বাস করত—এ পাড়ায় সে উঠিয়া আসার পর তুলাপ পরিচষের সত্রপাত। যুবকটিকে সুশিক্ষিত ও সচ্চরিত্র দেখিয়া, হরিনাথবাব তাহঁাকে আদর আপ্যায়ন করিয়াছিলেন। মাসকয়েক মধ্যেই সরোজ ইহার নিকট উপস্থিত হইয, লীলাকে এ বিবাহ করিবার বাসনা জানায় ও তাঁহার সম্পমতি প্রার্থনা করে। হরিনাথ আহমাদের সহিত সে সন্মতি প্রদান করিয়া বলেন, “বেশ ত বাবা, লীলা যদি রাজি হয়, আমার তাতে কিছুমাত্র আপত্তি নেই। তুমি তার মন পাবার জন্যে চেষ্টা কর।”—অসাধ্য সাধন সরোজকে করিতে হইবে না ইহা বড়া বিলক্ষণ জানিতেন। সরোজের প্রসঙ্গ উঠিবা