পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/১৪৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


:$30 शब्न-2न्थावजौ মাত্র লীলা কেমন আল্লাহ ভরে তাছা শ্রবণ করে, «3 लिन *कन्छू आनिष्ठ पिणम्य श्रङट्झ एमौधरल किब्रट्न अथौब्र श्ब्रा এবং আসিলে কিয়পে আনন্দ-বিহবল হইয়া উঠে, ক্ষীণ দটি সত্ত্বেও এ সকল তাঁহার চক্ষ এড়ার নাই। অতঃপর, সরোজ লীলাকে লইয়া কোথাও বেড়াইতে যাইতে চাহিলে, কিংবা ইংরাজি থিয়েটার বা বায়োস্কোপের বৈকালিক অভিনয়ে লইয়া যাইবার অভিপ্রায় প্রকাশ করিলে, হরিনাথবাব প্রসন্ন মনে সন্মতি দিতে লাগিলেন। সরোজ অন্যদিন ত আসেই—প্রতি রবিবারে নিয়মিতভাবে এখানে আসে এবং ইহাদের সঙ্গে একত্র গিজায় যায়। মাস দুই পরে একেদিন হরিনাথবাব কন্যাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন, “হ্যাঁ মা, সরোজ কি তোকে কোনও কথা বলে ?” হাজার হোক বাঙ্গালীর মেযে, পিতার প্রশ্নের মন্ম বিলক্ষণ বুঝিয়াও লীলা নেকা সাজিয়া জিজ্ঞাসা করিল, “কি কথা বাবা ?” 翰 হরিনাথ বলিলেন, “সরোজ আমার কাছে পাবে বলেছিল, তোকে সে বিয়ে করতে চায় । তোর কাছে সে রকম প্রস্তাব সে করেছে ?" লীলা লজায় রাঙা হইয়া বলিল, “ওs—সে কথা ত মাঝে মাঝে বলেন। আমি বাজী হইনি, বাবা।” “কেন মা, সরোজ ত বেশ ছেলে। কেমন ভদ্র, কেমন শিক্ষিত, কেমন সচ্চরিত্র— চাকরিতেও সনাম করেছে, ক্ৰমে উন্নতিও হবে, তবে কেন তুই আপত্তি করেছিস ?” “হ্যাঁ বাবা, আমি কি তোমার এতই ভার বোঝা হয়েছি যে তুমি আমায় বিদায় করতে .5Kg ?“ হরিনাথ আদরে কন্যার পিঠ চাপড়াইয়া বলিলেন, "ভার বোঝা তুই কেন হবি, মা ? বরং তুই মেয়ে হয়েও আমার ছেলের কাজ করছিস। যে কটি টাকা পেন্সন পাই তাতে ত আমাদের সব খরচ কুলোয় না,—নিজের উপাজনের টাকা তাতে যোগ করে তুই সংসার চালাচ্ছিস । তা নয়; কিন্তু মা, আমি, ত বড়ো হয়েছি, আমি আর কদিন ? আমার অভাব হলে, কে তোকে দেখবে শনবে, কাকে আশ্রয় করে তুই জীবন কাটাবি ? তাই আমার সাধ, আমি বেচে থাকতে থাকতে তোর একটা কিনারা দেখে যাই। আমি আর কদিন বল ?” BB DD DDD DDDBDBSg BB BBBBB BB BBB DDD DD DDD কেন বল বাবা ? তুমি কি ভাব ঐ সব শনতে আমার বড় মিটি লাগে ?” হরিনাথবাবু বলিলেন, “আচ্ছা, ও কথা না হয় আর নাই বললাম। কিন্তু তুই সংসারী হবি, তোর ছেলেমেয়ে হবে—সে সব দেখতে কি আমার সাধ হয় না রে ? বেশ করে ভেবে চিন্তে দেখিস।” সেদিন এ প্রসঙ্গ এই পয্যন্তই শেষ হইয়াছিল। কিন্তু মাঝে মাঝে হরিনাথবাব কথাটা পাড়িতেন, লীলার কিন্তু,সেই একই উত্তর—“আমি চলে গেলে তোমার সেবা কে করবে বাবা ?” আজ পিতাকে আহার করাইয়া, তাঁহাকে শয্যায় দিয়া, তাঁহার পায়ে হাত বলাইতে বলাইতে লীলা সরোজের সহিত তার অদ্যকার অধিকাংশ কথোপকথন নিবেদন করিল। "সমস্ত শনিয়া বন্ধ কিয়ৎক্ষণ নীরবে চিন্তা করিয়া বলিলেন, “আচ্ছা, তাই যদি তোর ধনভঙ্গ পণ হয় যে, আমি তোর কাছে গিয়ে না থাকলে তুই বিবাহই করবিনে, তা হলে তাই হবে। কিন্তু আমার খরচস্বরাপ মাসে মাসে অন্ততঃ পঞ্চাশটি টাকা জামাইকে নিতে হবে, সেটা তাকে বুঝিয়ে বলিস।” লজাত্যাগ করিয়া, বিবাহের দিন মিথর সম্ভবলেখ সরোজের আগ্রহের কথাও লীলা