পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/১৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


$88 গল্প-গ্রন্থাবলী মলিন বণ দিনে দিনে আবার উক্তজবল হইয়া উঠিতে লাগিল। পরের মাসে বিবাহ। সাধার দেহবণ তখন আবার পর্বে ঔজৰল্য ধারণ করিয়াছে। ” বিবাহ হইয়া গেলে বিনয়বাব বরের কাণে কাণে বলিলেন,-“জয়, রসায়নের জয় !" নতন বউ প্রথম পরিচ্ছেদ শ্রাবণ মাস, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, গড়ি গুড়ি বটি পড়িতেছে। মাধব দত্ত মহাশয় তামাকু সেবন করিতে করিতে তিনজন নিকমর্ণ পল্লীবন্ধের সহিত গল্প করিতেছেন— হারাণ মলখুয্যে রাখাল মিত্র ও কেদার চক্রবত্তী । দত্ত মহাশয়ের বয়সও পশ্চাশের উপরে উঠিয়াছে। প্রভাতে উঠিয়া, গঙ্গাস্নান সারিয়া আহ্নিক-পজা শেষ করিয়া কিঞ্চিৎ জলযোগান্তে বৈঠকখানায় আসিয়া বসিয়াছেন। বেলা তখন প্রায় দশ ঘটিকা। পিয়ন আসিয়া তাঁহার হস্তে দুইখানি খামের চিঠি দিয়া গেল—একই হস্তাক্ষরে ঠিকানা লেখা। একখানি তাঁহার নিজের নামে, অপরখানি তাহার মধ্যমা কন্যা নিম্মলকুমার র নামে। হাঁকা হইতে কলিকাটি খালিয়া হারাণ মুখ,য্যের হাতে দিয়া, চোখে চশমা লাগাইয়া দত্ত মহাশয় নিজ নামের পত্রখানি পাঠ করিতে লাগিলেন। পড়িতে পড়িতে তাঁহার বদনমন্ডল প্রফুল্ল হহল, ওহাতে সন্তোষ ও প্রসন্নতার চিহ্ন ফলটিয়া উঠিল। পত্রপাঠ শেষ করিয়া দত্ত মহাশয় হাকিলেন, “রামা !" বদ্ধ রামা ভূত্য আসিলে, তাহার, হাতে কন্যার নামের পরখানি দিয়া বলিলেন, “তোর মেজদিদিমণিকে দিগে যা।" হারাণ মখ ষ্যে জিজ্ঞাসা করিলেন, "কার চিঠি হে, দত্তজা ?” "কলকাতা থেকে মেজজামাই লিখেছেন—এই দেখ না।”—বলিয়া পরখানি মখ-য্যের হসেত দিলেন। পত্ৰখানির মক্ষম প্রতিবেশগণের মধ্যে প্রচারিত হয় ইহাই দত্ত মহাশয়ের অভিপ্রায় । তাহার একটা বিশেষ কারণও ছিল। দত্ত মহাশয় বড় মেয়েটির বিবাহ বেশ খরচ-পত্র করিযা দিয়াছিলেন, কিন্তু জামাই তাদশ সুবিধাজনক হয় নাই। মেজ মেয়ে নিন্মলার বিবাহ দিয়াছিলেন বলিতে গেলে এক কুড়াইয়া পাওয়া যোরহীন পাত্রের সহিত—সে পাত্রের বয়সও তখন ৩০ বৎসরের কম হইবে না। পিতামাতা জীবিত নাই, কলিকাতায় মাতুলালয়ে মানুষ হইয়াছিল, সে মামা-মামীও পরলোকগত—ছেলেটি তখন কলিকাতায় মেসে থাকিয়া দালালী ব্যবসায়ে জীবিকাজন করে। আয় অলপ, সতরাং বিবাহ করিয়া বধকে লইয়া যাইতে পারে নাই। আজ পাঁচ বৎসর বিবাহ হইয়াছে, চারি বৎসর হইল একটি কন্যা জমিয়াছে, কিন্তু এতাবৎকাল নিন্মলা পিতৃ-গহেই রহিয়াছে। ইহাতে পাড়ার লোক দত্ত মহাশয়কে ছি ছি করিত। জামাই প্রতি মাসে দই তিন বার করিয়া আসে, দই এক দিন থাকিয়া আবার কলিকাতায় ফিরিয়া যায়। কিন্তু তাহাতে কি ? লোকে বলে সস্তায় কিঙ্গিত পাইয়া দত্ত মহাশয় চালচলাহীন এমন জামাই করিলেন যে, মেয়েটা বাপের বাড়ীতেই চিরস্থায়ী হইয়া রহিল, স্বামীর ঘর করা তাহার অদটে ঘটিল না। निष्धfजाe ७ जना कर्णाच्छठ-उान्न शा देनानौ९ भारका भारवा छाधाईक ऐंश लईझा ७कछेद গঞ্জনা দিতেও আরম্ভ করিয়াছিলেন। জামাই লিখিয়াছেন, এত দিনে কমে তাঁহার একটা উন্নতি হইয়ছে, আয়বধি হইয়াছে, একটি ছোট বাড়ীও স্থির করিয়াছেন, এখন