পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/১৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ডোরা సిఫిషి অনিল বলিল, “বেশ, ঐ ফাঁই তোমাদিগকে দেওয়া যাইবে।” “আর যাতায়াতের ট্যাক্সি ভাড়া সেও তোমরাই দিবে।” “ठावभाई ग्निव।” “উত্তম কথা। রোগীর নাম কি ?” “निब्रअन ब्राग्नरफ़ॉक्षट्झौ ।" “বলিলে জমিদার। জমিদাররা খুব বড়লোক হয়, না ?” “হ্যাঁ, বড়লোক বইকি ?” “মিন্টার রায়চৌধুরীর বয়স কত ?” “চৰিবশ ।” - “বাপ, মা, আত্মীয়নসবজন সব কোথা ?” “বাপ, মা, ভাই, বোন কেহই নাই। আত্মীয়স্বজন যাঁহারা আছেন, দেশেই আছেন । এর এক আত্মীয়,—সম্ভবন্ধে মাতুল. তিনিই এণ্টেটের ম্যানেজার। নিরঞ্জনের বয়স যখন ১০ বৎসর, সেই সময়ে উপহার পিতৃবিয়োগ হয়। তখন হইতেই ঐ মাতুল আদালত হইতে গান্জেন নিযুক্ত হইয়া বিষয়-সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ করিতেছেন, নিরঞ্জনকেও লেখাপড়া শিখাইতেছেন। উনি আজিও বিবাহ করেন নাই। এম-এস-সি পাশ করিয়া বিলাতে গিয়া ব্যবহারিক বিজ্ঞান শিক্ষা করবেন ইচ্ছা আছে। বিলাত হইতে ফিরিবার পাবে* বিবাহ করিবেন না।” $ জেসি বলিল, “বাবা, তুমি লভ বাজে বকো। ও সব কথা তোমায় কে জিজ্ঞাসা করিয়াছে ?”—বলিয়া সে একমনে সিগারেট টানিতে লাগিল। i মিস জেসি সিগারেট শেষ করিয়া ছাইদানী অভাবে উহা বারান্দায় ছড়িয়া ফেলিয়া দিয়া বলিল, “টাইফয়েড রোগীর শশ্রেষার জন্য যে সকল সরঞ্জাম আবশ্যক, তাহার কি কি আছে, কি কি নাই, আমায় দেখাও। যাহা যাহা নাই, সে সকল এখনই আনাইয়া লইতে হইবে।” অনিল তখন উঠিয়া জেসিকে পাশববত্তী কক্ষে লইয়া গেল। জিনিষ-পত্ৰ দেখিয়া, আর যাহা যাহা আবশ্যক, জেসি সে সমস্ত জিনিষের একটি তালিকা লিখিয়া দিল । বলিল, “এগুলি কাল সকালে আনাইয়া লইলেই চলিবে। যাহা আছে, আজ রাত্রের জন্য তাহাই যথেষ্ট। এখন মিস রয়কে একবার ডাকিয়া দাও, তুমি রোগীর নিকট থাক। পালা সম্মবন্ধে মিস রয়ের সঙ্গে আমি কথাবাত্তা পিথর করিয়া লই।” অনিল উঠিয়া গেল। ক্ষণকাল পরে ডোরা আসিয়া প্রবেশ করিল। জেসি প্রস্তাব করিল—আজ রাতটা ডোরাই থাকিবে, কল্য প্রাতে ৮টার সময় আসিয়া জেসি উহাকে ছুটি দিবে। তাহার পর ছয় ঘণ্টা অন্তর পালা বদলাইবে। ডোরা কোনও আপত্তি করল না। জেসি বলিল, “তবে তুমি রোগীর কাছে যাও। ঐ ,চটাডিজ ছোকরাকে একটা ট্যাক্সির জন্য লোক পাঠাইতে বল। গড় নাইট ডিয়া।”—বলিয়া জেসি হস্ত প্রসারণ ब्रह्मक्तः । to “গড নাইট” বলিয়া ডোরা উঠিয়া জেসির করমন্দন করিল। இ. জেসি বলিল, “খবে সাবধান, রোগীর ঘরে যেন গোলমাল না হয়। ঐ চাটাঞ্জি লোকটা ভারি বক বক করে। গোল করে ত উহাকে ঘর হইতে বাহির করিয়া দিও। আর দেখ, চাট যেন ঠিক ঠিক তৈরি হইতে থাকে। ডক্টর রবিনসন এ বিষয়ে কি রকম কড়াক্কড়, তা জান ত ? অার উত্তাপ ১০২ ডিগ্রীর উপর উঠিলেই মাথায় আইস-ব্যাগ मिळव । एयन छूळ ना शञ्च ॥” • “ভুল হইবে না। গড় নাইট”—বলিয়া ডোরা প্রস্থান করিল।