পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/২১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


टुक्राष्प्ले क्राष्प्लेच्न ృ9 नकल •ार्यान्ड द्धालान्न कब्रम्ला श्रानिन्नाझ । मङग्ना३ मकदा निष्कइँ उम्नप्लेधाप्ने दाँक्षा ब्राङ्ज । মবিবার সন্ধ্যার ট্রেলে আমি রওয়ানা হইয়া স্টেশনে নামিয়া, রাত্রি দশটার মধ্যেই তোমাদের গ্রামে প্রবেশ করিতে পারিব। ভগবানের নাম স্মরণ করিয়া, গহের বাহির হইও—আশা করি তাঁহার আশীব্বাদে আমাদের মিলনের পথ হইতে সকল বাধাবিঘ্য অপসারিত হইবে। অধিক আর কি লিখিব। আমার শান্য গহে আসিয়া তুমি লক্ষীরাপে অবতীর্ণ হও—আমার শান্য হৃদয়ে বসিয়া আমায় চিরসখী কর। ইতি তোমার (মন) চোর। এই পত্ৰখানি পড়িয়া বিমল আপন মনে বলিয়া উঠিল—কি চমৎকার! এ যে রীতিমত একটা নভেলী ব্যাপার! বাম-বাং-ক্যা মজাদার । ক্যা তোফা। বাহবা চার্যশীলা— ব্রাভো! জিতা রহো বাবা-থ্রি চিয়াস ফর চার্যশীলা। বেশ বেশ–বরের কাছে তুমি বাবে—মাইকেল ত বিধানই দিয়ে গেছে—“যে যাহারে ভালবাসে, সে যাইবে তার পাশে” —ব্রজংগনা কাব্য দেখহ । গড ব্লেস দি হ্যাপি পেয়ার—তোমাদের বিয়েতে আমায় নেমন্তন্ন করবে না বাবা ? নাচি খেয়ে আসতাম ! অতঃপর বিমল বাকী পত্র দইখানি পড়িয়া দেখিল; এ দইখানিই মামলি স্বামীর মামলি প্রেমের চিঠি—তাহাতে প্রেমের চেযে ঘরকন্নার কথাই বেশী—কোনও বিশেষত্ব নাই। বিমল এই ছয় মাসের মধ্যে বৈধ ও অবেধ সহস্রাধিক প্রেমপত্র পড়িয়াছে, সে জানে বৈধ প্রেমেল চিঠি অপেক্ষা, অবৈধ প্রেমের চিঠিতেই মজা বেশী থাকে; পত্রগুলি আবার জড়িয় রাখিয়া বিমল মাসিকপত্রখানি পড়িতে আরম্ভ করিল। পড়িতে পড়িতে ক্ৰমে উহ। তাহার হা ত হইতে খসিয়া পড়িল; সে তখন পাশ ফিরিয়া, পাশের বালিসে পা দিয়া আরামে ঘুমাইতে লাগিল। tी छान्तःि ॥ অপরাহুকালে বিভিন্ন গ্রাম হইতে পিয়নের ফিরিয়া আসিলে বিমল তাহাদের নিকট হইতে মনি অড'র রেজেন্টারি প্রভৃতির রসিদ বুঝিয়া লইয়া, খাতাপত্র লিখিতে আরম্ভ করিল। কাৰ্য্যশেষ হইলে, ভূত্যকে বলিল, "ওরে, যা দেখি, হরেন সার দোকান থেকে এক বোতল বিহাইব নিয়ে আয়। চাদরের ভেতর বেশ করে নকিয়ে আনবি–বঝেছিস ? আর, করিমন্দিকে আমার কাছে ডেকে দিয়ে যাস।”—বলিয়া বিমল, সরকারী তহবিল হইতে ভূত্যের হতে ছয়টি টাকা দিল। কিয়ৎক্ষণ পরে পিয়ন করিমন্দি সেখ আসিয়া বলিল, “হজের ডেকেছেন " বিমল বলিল, “হ্যাঁ। আজ একটা ফাউলের কারি বানিয়ে দিতে পারবে হে শেখের পো ?” 鹽 করিম বলিল, “কেন পারবো না হজের ?” “আচ্ছা—এই টাকা নাও। বেশ মোটা তাজা দেখে একটা মরগাঁ ক্লিনে এনো। বেশ করে লঙ্কাবাটা দিও—আমরা বাঙ্গাল মানুষ, ঝালটা কিছ বেশী খাই।"-বলিয়া বিমল ক্যাশ হইতে তাহাকেও একটি টাকা দিল। কাজকম শেষ হইলে, ক্যাশ হইতে আর তিনটি টাকা লইয়া, বিপ্রহরে লব্ধ সেই দশ টকার নোটখানি ক্যাশে রাখিয়া ক্যাশ পরণ করিল। ক্যাশ মিলাইয়া তাহা লোহার সিন্দকে বধ করিয়া, আপিস ঘরে চাবি দিয়া বিমল বাসায় গেল। তখন সন্ধ্যা হইয়া গিয়াছে। বামনে মাকে দেখিয়া বলিল, “মা, আজ শরীরটে কেমন ম্যাজ মঙ্গজ করছে,