পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/২৫২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


‛ እ88 গল্প-গ্রন্থাবলী সবিস্তারে বর্ণনা করিল। কুন্দমালা’ নামটি শনিবামার কিছ না জানিয়াও সরেন যে মধরে মন্তব্যটি প্রকাশ করিয়াছিল, তাহাও উল্লেখ করিতে ভুলিল না। কুন্দ অবাক হইয়া সমস্ত শনিতেছিল। সরেনের কথা শেষ হইলে বলিল, “খব আশচষ্য ত! তোমার সে বন্ধ নিশ্চয়ই একজন খুব ভাল গরে পেয়েছেন, যোগসিদ্ধ रदार्थ श्झ ?” ஆ সুরেন্দ্র বলিল, “ছাই সিদ্ধ।” “তবে ? তিনি কি করেন ?” 够 “এই, আমরা সকলেই যা করি। অনের জন্যে রাত জেগে বই মুখস্থ করে এগজামিন পাশ করেছেন, তার পর চাকরীর উমেদারী।–ওটা কি জান ? এক একজন মানুষের ঐ রকম একটা ক্ষমতা জন্মে যায়। আপনা আপনি জন্মায়, তার জন্যে জপ-তপ সাধনাটাধনা কিছই করতে হয় না। ওকে বলে ক্লেয়ারভয়েন্স—ক্লিয়ার ভিশন—দিব্যদটি আর কি। আর, ওরকম ক্ষমতা যার আছে, তাকে বলে ক্লেয়ারভয়েণ্ট।”—মরবিয়ানা-স্বরে এই কথাগুলি বলিয়া সরেন গোবিন্দ চোঁট্রর ক্ষমতার কথা এবং অস্ট্রেলিয়ান সাকাস দলের সেই মেমের ক্ষমতার কথাও যথাশ্রত বর্ণনা করিল। কিয়ৎক্ষণ কুন্দ বিস্ময়ে স্তব্ধ হইয়া রহিল । তার পর মিনতির স্বরে বলিল, “হ্যগিা, তুমি এবার যখন এখানে আসবে তাঁকে সঙ্গে করে নিয়ে এস না। আমি তাঁকে দেখবো ।” সরেন বলিল, “সে ত এখন কলকাতায় নেই। পাঞ্জাব গেছে চাকরী করতে। যে দিন সে ঐ সব কথা বললে, তার পরদিনই সে চলে গেছে। রাইবেরেলী হাই স্কুলের হেড মাস্টারী চাকরী নিয়ে সে গেছে।” হঠাৎ উঠিয়া বসিয়া বলিল, “কি বললে ঐ রাইবেরেলা ইস্কুলের kহড ब्ल ?” সরেন, কুন্দমালার এই হঠাৎ উত্তেজনায় বিস্মিত হইয়া বলিল, “হ্যাঁ। কেন ?" “তোমার বন্ধর নাম কি বল দেখি ?" “অতুল—অতুলচন্দ্র গাঙ্গলেী।” "ও আমার পোড়াকপাল!”—বলিয়া কুন্দ মুখে হাত চাপা দিয়া ফলিয়া ফলিয়া হাসিতে লাগিল। হাসি আর থামে না। “কেন ? কেন ? হাসছ কেন ?"—বলিয়া সরেনও উঠিয়া বসিয়া, কুন্দমালার মাখ হইতে হাত টানিয়া খালিয়া দিল। আরও মিনিটখানেক হাসিয়া তার পর কুন্দ আত্মসম্বরণ করিতে পারিল। বলিল, “হাসছি কেন জান? তোমার সে বন্ধটি যোগীও নন, ঋষিও নন, গোবিন্দ চোঁট্ৰও নল, ক্লেয়ারভয়ান্টও নন। তিনি আমার অতুল-দা। ঐ যে আমার মামা তোমায় দেখতে গিয়েছিলেন, তিনি অতুলদার পিসেমশাই। অতুলদা ত কতবার এখানে এসেছেন। বাবা তাঁকে একটি ভাল পাস করা পাত্রের সন্ধান করবার জন্যে চিঠি লিখেছিলেন, অতুলদা-ই ত বাবাকে তোমার কথা লেখেন। অতুলদা রাইবেরেলাঁ চলে যাবেন বলেই দাদাকে নিয়ে মামা তাড়াতাড়ি ঐ দিন তোমায় দেখতে গিয়েছিলেন। তিনি যখন তোমাদের ভোজের সভায় ঐ ক্লেয়ারভয়েস্টগিরি ফলাচ্ছিলেন, তখন তিনি বিলক্ষণ জানতেন যে, মামাবাব দাদাকে সঙ্গে নিয়ে পরের দিন ১০টার গাড়ীতে কৃষ্ণনগর থেকে কলকাতা রওয়ানা হবেন। বাবা আগে তাঁকে চিঠি লিখেছিলেন বুে!” “তোমায় সে দেখেছে ?” “হাজার দিন ।” সরেন কয়েক মহত্তেকাল নীরবে বসিয়া রহিল। তার পর বলিল, “কি আশ্চৰ্য্য