পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/২৬৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ठिन फ्राब्रिमिन भट्झ थकौ चानिझा बलिण, “भा, धफ़ि एवण श्रब्रछौ कथा कॐऊ পারে। দাদার সঙ্গে ফর-ফর করে ও ইংরেজী বলছিল, আমি ত বাকতেই পারলাম 5ղ շ" Ed নানীকে জিজ্ঞাসা করিলাম, “হ্যাঁ নানী, তোর মেয়ে ইংরেজী কথা কইতে জানে ?” সে বলিল, “হ্যাঁ মাইজী, জানে বইকি। আমি যখন ডাউহিল স্কুলে চাকরী করতাম, ও তখন ইংরাজ বাবাদের সঙ্গেই খেলা করত কিনা। সেখানকার বড় সাহেব যিনি ছিলেন, তিনি পাদরী। তিনি দয়া কবে ইংরাজ মেয়েদের সঙ্গে ক্লাসে বসে ওকে পড়তে হঝুেম দিয়েছিলেন–যদিও কোনও কালা অদিমির মেয়েকে সেখানে ভত্তি করা হয় না।” ছেলেকে জিজ্ঞাসা করিলাম, "হাঁ সন্ধা, ঘড়ি নাকি ইংরেজী বলতে পারে ?" সন্ধা বলিল, “হ্যাঁ মা, ও বেশ ইংরেজী বলে। কিন্তু কথা যেমন বলতে পারে, বই তেমন পড়তে পারে না। আর, বানান সব অশািন্ধ। কাণে শনে শেখা কিনা। আমি ওকে বই পড়তে শেখাব মনে করছি। খকেীও সেই সঙ্গে পড়বে।” দই-একদিন পরে দেখিলাম খাকী ও ঘড়িকে লইয়া সন্ধা রীতিমত স্কুল খালিয়া বসিয়াছে। দুবেলায় তিন চারি ঘণ্টা উহাদের পড়ায়। .া দল বাদে ও পাহাড়ী মেয়েটার সঙ্গে সন্ধাকে মিশতে বারণ করে }দও।” * আমি বলিলাম, “কেন, তাতে আর দোষ কি ?” তিনি বলিলেন, “তোমার সোমত্ত ছেলে, ঐ সন্দেরী সোমত্ত মেয়েটার সঙ্গে বেশী মেশা কি ভাল ? শেষে কি থেকে কি হবে বলা যায় কি ? জান ত, চাণক্য পণ্ডিত বলেছেন, ঘি আর আগমন একসঙ্গে পথাপন করবে না।” আমি বলিলাম, “না না, ছেলে আমার সে চরিত্রের নয়। কোনও ভয় নেই। ঐ একটা নেশা নিয়ে মেতে আছে, থাকুক না। নয় ত শেষে কোন দিন বলে বসবে, চললাম আমি নণে তৈরী করতে।” তিনি তার কিছু বলিলেন না। দিন পনেরো পরে একদিন খাকী আসিয়া চপি চাপি আমায় বলিল, “মা সব্বনাশ হযেছে।”—তার চক্ষ দটি ছলছল। ভীত হইয়া জিজ্ঞাসা করিলাম, “কি হয়েছে রে ?” “ঘড়িকে দাদা ভালবাসে। ওকে বিয়ে করবে।” বলিলাম, “দর পাগল ঘড়ি হল পাহাড়ি-মেয়ে, ওকে তোর দাদা বিয়ে করতে যাবে কেন ?” খাকী বলিল, “হ্যাঁ মা, দাদা ওকে ভালবেসেছে। আমি বচক্ষে দেখেছি, ঘড়ির বই-খাতার মধ্যে একখানা কাগজ রয়েছে, তাতে লেখা আছে, I love you—তার মানে, আমি তোমায় ভালবাসি। দাদার নিজের হাতের লেখা-আমি দাদার হাতের লেখা চিনি ত!”—বলিতে বলিতে মেয়ে প্রায় কাঁদিয়া ফেলিল। কাঁদিবার তাহার কারণ আছে। উহাদের ক্লাসেই একটি মেয়ে পড়ে, উহার চেয়ে বছর দইয়ের বড়, তার নাম লীলাবতী ব্যানাজী। আমার স্বামী মখাজী খাকী তাহাদের বাড়ী যায়, লীলাও আমাদের বাড়ী আসে। দুইজনে অত্যন্ত ভাব। খাকীর একান্ত ইচ্ছা, সেই লীলার সঙ্গেই তার দাদার বিবাহ হয়। বালিকাদের এই মতলব শুনিয়া, লীলার মাও নিজে আমার কাছে এই প্রস্তাব করিয়াছেন—তবে আমি এখনও পণ্টাক্ষরে আমাদের সম্মতি জানাই নাই। মেয়েটি দেখিতে শুনিতে ভাল, তাহার পিতাও সম্পন্ন লোক; সতরাং প্রাপ্তিযোগও ভাল আছে, হইলে মন্দ হয় না।