পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/২৯৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


演切げ - গল্প-গ্রন্থাবলী পণে সলজভাবে বলিল, “আঙ্কে, গলোঁর সাপ্লাই ফরিয়ে গিয়েছিল। বারদ ত ठामन्ना निएछग्नादै डांच्न कब्र ।” - হরেন আমার দিকে চাহিয়া বলিল, “দাদা, দেখনে, মাঝিমাল্লারা সব জটেছে কি না। বজরা ছেড়ে দিতে বলনে।" বজরা খলিলে, আমি বলিলাম, “বাবাজীর এখন কি ব্যকথা করা যায় ভায়া ?” । “তাই ত ভাবছি। কনেষ্টবলরা সবাই ওকে দেখেছে। জামালপরে বজরা থেকে নেমে বাসায় বাবার সময় তারা যদি ওকে চিনে ফেলে, তা হলেই মকিল। একখানা উড়ো চিঠির ওয়াস্তা। এক কাজ করা যাক না। বাবাজীকে মেয়ে সাজানো যাক। পলিস-বোট দরখানা আমাদের ঢের আগেই জামালপরে পৌঁছে যাবে। ঘাটে দখানা ঘোড়ার গাড়ী রাখতে হক্কুম দিয়েছি। একখানাতে মেয়েরা—দিদি, লীলা-টীলা যাবে এখন। সেই গাড়ীতে, বউ সেজে ঘোমটা দিয়ে জামাইও উঠবে। অপর গড়িীখানায় আপনি, আমি, ছেলেরা।” - সেই পরামর্শ-ই স্থির হইল। তার পর হরেনের কাছে ব্যাপার সব শনা গেল। গোবিন্দপরে হইতে থানায় ফিরিয়াই সে গোয়েন্দার মুখে সংবাদ পায়, একজন ধনী মাড়োয়ারী অনেক টাকা লইয়া বজরা ভাড়া করিয়া নানাপথানে চাষীদের পাটের দাদন দিয়া বেড়াইতেছে। স্বদেশীর একটা দল তাহার পিছ লইয়াছে—খবে সম্ভব, ডাকাতি করাই অভিপ্রায়। হরেন তাই প্রস্তুত হইয়া ছিল। তাহার এলাকায় বজরা প্রবেশ করার পর হইতেই বজরার পছন্ন পিছ তার পরলিস-বোট দখেনি আসিতেছিল। মোল্লাগঞ্জ তার এলাকার বাহিরে। সেখানে আরোহী বদলের খবরটা সে পায় নাই এবং দেখা যাইতেছে, স্বদেশী ডাকাইতরাও পায় নাই । পণে বলিল, “না, আমরাও পাইনি। আমাদের লোক মোল্লাগঞ্জের বাজারের ভিতর দিয়ে বাইসিক্লে চলে এসেছিল, ঘাটে ত সে যায়নি।” হরেন বলিল, “সে মাড়োয়ারীটা বোধ হয় কি রকম করে গন্ধ পেয়েছিল, তাই তাড়াতাড়ি মোল্লাগঞ্জে নেমে পড়েছে।” থানায় পেপছিয়া, হরেন আমার ও মাঝি-মাল্লাগণের এজেহার লিখিয়া লইয়া, পরদিন সাক্ষিবসরপ আদালতে হাজির হইবার জন্য আমাদের সমন ধরাইল। ... তু মাক এনাল আলম আল - ল নখ ফল গেল । আমি এই অবসরে সন্ত্রী-পত্রকন্যা ও বধবেশী জামাতাকে লইয়া দেশে ফিরিয়া আসিলাম। জামালপরে,মহকুমার এলাকা পার হইবার পর, সযোগ ববিয়া, বাবাজীকে বস্ত্রপরিবত্তন করাইয়াছিলাম—তাহাই হরেনের পরামশ ছিল। জামাতাকে নিজ বাটীতেই রাখিয়া, আমি নিজে গেলাম রাজসাহীতে বেহাইকে সসংবাদটা দিতে। সমস্ত ব্যাপার শনিয়া তিনি জিজ্ঞাসা করিলেন, “বাড়ীর লোক ছাড়া এ কথা কি আর কেউ জানতে পেরেছে ?” - - বলিলাম, “না, কারার কাছে এ কথা যাতে প্রকাশ না হয়, সেই রকম ব্যকথা করেছি।” “ভাল করেছ। প্রকাশ হলে, ছেলেও যাবে, হরেনবাবরেও জেল অনিবাব্য।” “সে কথা সে আমায় আগেই বলেছে।” অপেক্ষণ চিন্তার পর বেহাই বলিলেন, “গ্রামের ছুটীতে পশে বাড়ী এল না কেন