পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/৩০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বি-এ পাশ কয়েদী శివమో স্কুল নাই। রান্নার তাড়াতাড়ি নাই। সময় যখন জেলরবাব আপিসে যাইতেছিলেন, তখন মনোরমা তাঁহাকে * * * * ইন্দবাব বলিলেন, “আমি গিয়েই তাকে পাঠিয়ে יין ইন্দবাব চলিয়া গেলে মনোরম মোক্ষদাকে বলিল, “তুমি তা হলে স্নান-টান সেরে নিয়ে রান্নার যোগাড় দেখ। তোমার স্নান হয়ে গেলে আমিও স্নান করে রান্নাঘরে যাব।” সাত অন্য দিন অপেক্ষা আজ একটা সকালেই—সাড়ে দশটা না বাজিতেই, ইন্দবাব আপিস হইতে বাড়ী ফিরিলেন। বস্ত্র-পরিবত্তন করিতেছেন, এমন সময় মনোরমা ঘন্মান্তকলেবরে আসিয়া প্রবেশ করিল। ইন্দবাব বলিলেন, “কি গো, কোথায় ছিলে ?” “রান্না করছিলাম יין “কেন, মোক্ষদা ?” মনোরমা মুখখানি গভীর করিয়া কিয়ৎক্ষণ নীরব রহিল। তার পর বলিল, “ওর হাতে আমাদের আর খাওয়া চলবে না।” “কেন. কি হয়েছে ?” মনোরমা থামিয়া থামিয়া বলিল, “ও—খারাপ—মেয়ে !" ইন্দবাব আশচয' হইয়া বলিলেন, “অ্যাঁ ? সে কি ? কে বললে ? কোথা শনলে יי ק “আমি নিজের চক্ষে দেখেছি। ভাত চড়িয়ে দিয়ে এসেছি, এখনও ফটতে দেরী আছে। সব কথা বলি, শোন।”—বলিয়া মনোরমা একখানা চেয়ারে বসিল। ইন্দবাবা শঙ্কিত-নেত্রে সত্রীর পানে চাহিয়া বলিলেন, “কি বল দেখি ” তখন মনোরমা বলিতে লাগিল, “তুমি অপিস যাবার সময়, শরৎকে পাঠিয়ে দিতে তোমায় বললাম ত সে আটটার সময় আমায় প্রণাম করতে এল। মোক্ষদা তখন স্নানের ঘরে, আমি এই ঘরে বসে তেল মাখছি। শরৎ এসে আমার কাছে বসল। সে থাকতে থাকতেই মোক্ষদা সনানের ঘর থেকে বেরলে, বেরিয়ে ওদিকে চলে গেল। তার পর শরৎ আমায় প্রণাম করে বিদায় নিলে, আমি সনানের ঘরে ঢুকে দোর বন্ধ করলাম। স্নান করতে গিয়ে দেখি, আমার গামছাখানা নেই। আবার বেরিয়ে, গামছা খজতে খুজতে রান্নাঘরের বাইরে দেখি, শরৎ আর মোক্ষদা দুজনে জড়াজড়ি করে দাঁড়িয়ে রয়েছে, মোক্ষদার মাথা শরতের কাঁধের উপর, দ'জনে একরারে জ্ঞানশন্যে। তার পর মোক্ষদার মাথাটা শরৎ তুলে, তার মরখে চমো খেয়ে, চোখ মাছতে মুছতে পিছনের সিড়ি দিয়ে নেমে গেল। মনে কবেছিল, গিমীমাগী সনানের ঘরে বন্ধ, কেউ আমাদের দেখতে পাবে না।” “তুমি যে দাঁড়িয়ে আছ, তা শরৎ দেখলে " יין דהיי “আর মোক্ষদা ?” “মোক্ষদা আমায় দেখলে বইকি—একট পরেই।” “তুমি কি বললে ?” r “রাগে আমার ব্রহ্মাণ্ড জন'লে যাচ্ছিল, আমি দাঁড়িয়ে থর্থর করে কপিছিলাম। মখ দিয়ে আমার কথা বেরাচ্ছিল না। কোনও রকমে শধ্যে বললাম, মোক্ষদা, তুমি