পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/৩৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


श्वश्चाग्नि-कुर्माल्ट्नौ HIV S BDDD D DB BeBBB BBBD DDD DDBB BBB DBBD S DDDD মৌলভিগণের যত্নে নানা শাঙ্গো ও নানা ভাষায় ব্যুৎপন্ন হইয়া উঠিলেন। ক্লমে তাঁহায় যৌবনাবস্থা উপনীত হইল। তখন তিনি মাঝে মাঝে মনোমধ্যে আলোচনা করিতে লাগিলেন, পিতৃব্য কন্যার সহিত আমার বিবাহ হইবে, এই সমগ্ন রাজ্যের আমি অধীশ্বর হইব, পরম সনখে কালহরণ করিতে পারিব। কিন্তু পিতৃব্য যবেরাজের বিবাহ বা . রাজ্যাভিষেকের কোন প্রসঙ্গই উত্থাপন করিলেন না। পরলোকগত বাদশাহের একটি অতি বিশকত হিন্দন্থেনিবাসী ভূত্য ছিল, তাহার নাম মবোরক। সে সব্বদা রাজপত্রের নিকট অবস্থিতি করিত এবং তাঁহাকে অত্যন্ত স্নেহ করত। একদিন রাজপত্র মবোরকের নিকট আশ্রাপণ নয়নে উপস্থিত হইয়া কহিলেন—“দেখ, একজন রাজভৃত্য আমাকে অত্যন্ত অপমান করিয়াছে।” ইহা শনিয়া মবোরক অত্যন্ত দুঃখিত হইয়া নানাপ্রকারে রাজপত্রকে সান্ত্বনা করিতে লাগিল। অবশেষে তাঁহাকে লইয়া রাজসমীপে উপস্থিত হইয়া সমসত বলিল। বাদশাহ দোষী ভূত্যের সমচিত দণ্ডবিধান করিয়া রাজপত্রকে মিষ্ট কথায় অনেক সাচ্ছনা দিলেন। আরও বলিলেন—“শীঘ্রই তোমার বিবাহ দিব।” মবোরক শনিয়া অত্যন্ত আহমাদিত হইল। বলিল—“প্রভু, তবে আর বিলম্ব কেন ? নজামী পণ্ডিতগণকে আহবান করিয়া দিন স্থির করিতে আজ্ঞা হয়।” বাদশাহ বলিলেন —“আমি কল্যই জ্যোতিষী পণ্ডিতগণকে আনাইয়া এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিব।” অতঃপর একজন বিশ্ববস্ত রাজভৃত্য গিয়া পণ্ডিতগণকে কহিল—“দেখ, বাদশাহ কল্য প্রকাশ্য-সভায় তোমাদিগকে যবেরাজের শভে বিবাহের জন্য দিন থির করিতে বলিবেন । তোমরা বলিবে যে, এখন এক বৎসর বিবাহের দিন নাই। এইরুপ বলিলেই বাদশাহ সন্তুষ্ট হইবেন, নতুবা তোমাদের বিপদ।” পরদিন যথাসময়ে প্রকাশ্য-দরবারে পণ্ডিতগণ উপস্থিত হইলেন। মবোরকও রাজপত্রকে সঙ্গে লইয়া সভায় আসিয়া বসিল। প্রশ্নমত পন্ডিতগণ কহিলেন—“শাহানশাহ, আমরা গণনা করিয়া দেখিতেছি, এখন এক বৎসরকাল বিবাহের কোনও শুভ দিন নাই।” ইহা শুনিয়া কপটী বাদশাহ মৌখিক দুঃখপ্রকাশ করিলেন। মবোরককে বলিলেন— “শুনিলে ত মুবারুক, এখন এক বৎসর দিন নাই। কি করা যাইবে, এখন এক বৎসর অপেক্ষা করিতে হইল। তুমি যবেরাজকে অন্তঃপরে লইয়া যাও, যবেরাজ এখন মন দিয়া লেখা পড়া করন। এক বৎসর পরে বিবাহ দিয়া তাঁহার পৈত্রিক গদী তাঁহাকে ছাড়িয়া দিব। সকলই ঈশ্বরের ইচ্ছা।” ইহা শনিয়া সভাপথ সকল আমীর ওমরাহগণ ধন্য ধন্য করতে লাগিল। বৰ্ত্তমান বাদশাহের প্রতি কেহই সন্তুস্ট ছিল না। সকলেরই আন্তরিক ইচ্ছা, যবেরাজ পৈত্রিক সিংহাসনে আরোহণ করিয়া পিতার ন্যায় রাজ্যপালন করেন। বাদশাহ সকলের এই মনোগত অভিপ্রায় বুঝিতে পারিয়া অত্যন্ত বিরক্ত হইলেন, কিন্তু তাহা প্রকাশ করিলেন না। এইরপে কিছুদিন যায়। একদিন মবোরক আশ্রপেণ নেত্রে যবেরাজের নিকট উপস্থিত হইল। তাহাকে তদবপথ দেখিয়া যবেরাজ অত্যন্ত শঙ্কান্বিত হইয়া কহিলেন—“মবারক দাদা, তুমি কাঁদিতেছ কেন ? কি হইয়ছে আমায় বল; তোমার কোনও অমঙ্গল হয় নাই ত? তোমাকে কেহ কি অপমান করিয়াছে ? কি হইয়াছে আমায় খলিয়া বল ।” মবোরক কহিল—“ববেরাজ, তোমায় সে দিন বাদশাহের নিকট লইয়া গিয়াছিলাম, তাহাতে মহা বিপদের সচনা হইয়াছে। হায় হায়, যদি পাবে জানিতাম, তাহা হইলে এমন কাব্য করিতাম না।” 睡 যবেরাজ শঙ্কাকুল হইয়া কহিলেন—“কেন মবোরক, কি বিপদ হইয়াছে ?” মবোরক বলিল—“সে দিন তোমাকে রাজসভায় দেখিয়া, আমীর, ওমরাহ, রাজকমচারী, সৈন্যগণ, সাধারণ প্রজাবগ-সকলেই অত্যন্ত আনন্দিত হইয়াছে। বৎসরান্তে