পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/৩৪৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ुणझ-कार्याङ्नी Hලද් ইহা শনিয়া মালেক সাদেক নিজ কন্নমধ্য হইতে একখানি চিত্র বাহির কারলেন। রাজপত্রের হতে দিয়া বলিলেন—“এই মনয্যেকন্যার সন্ধান করিয়া, যদি তাহাক আমার কাছে আনিতে পার, আমি তোমার সহিত চিরদিনের জন্য মিত্রতাপাশে বন্ধ থাকব। আর যদি না আনিতে পার, কিবা কোনওরপে অন্যায় কর, তবে তুমি অত্যন্ত বিপদে পতিত হইবে। দেখ, এখনও সময় আছে। যদি কাৰ্য্যটি সসম্পন্ন করিতে পার, তবেই ভার গ্রহণ কর। নতুবা এখনও নিবত্তে হও।” * রাজপত্র দেখিলেন ছবিখানি ত্রয়োদশ অথবা চতুন্দ'শবষীয়া একটি পরমাসুন্দরী রমণীর মাত্তি। বলিলেন—“প্ৰভু ! কেন পারিব না ? আমি এই রমণীকে পথিবী ভ্রমণ করিয়া অন্বেষণ করিব এবং যে প্রকারে পারি আপনার নিকট আনিয়া দিব।” ইহা শনিয়া মালেক সাদেক অত্যন্ত প্রীতিলাভ করিলেন। ছবিখানি দিয়া, বিবিধ ধনরত্ন ও পরিচ্ছদ উপহার দিয়া, রাজকুমারকে বিদায় দিলেন। कृज्रौब्र •र्याब्रट्झम মালেক সাদেকের নিকট বিদায় লইয়া, শাহজাদা ও মবোরক সেই মনুষ্যকন্যার উদ্দেশে বাহির হইলেন। দেশে দেশে, নগরে নগরে, গ্রামে গ্রামে, পৰ্বতে পৰ্বতে, ও জঙ্গলে জঙ্গলে, বহল অনুসন্ধান করিলেন, কিন্তু কোথাও সেই মনুষ্যকন্যার সংবাদ পাইলেন না। এইরপে সাতটি বৎসর অতীত হইয়া গেল। একদিন এইরুপ অনুসন্ধান কায্যে ইস্তাবল সহরে বেড়াইতে বেড়াইতে অপরাহু সময়ে শাহজাদা দেখিলেন, একজন ছিন্নবসন কৃশকায় বদ্ধ ফকীর রাজপথে ভিক্ষা করিয়া বেড়াইতেছে। ফকীর অনেক কাকুতি মিনতি করিয়া ভিক্ষা চাহিতেছে কিন্তু কেহই তাহাকে একটি পয়সাও দিতেছে না। যাহার বোরে যাইতেছে সেই দরে দরে করিয়া তাড়াইয়া দিতেছে। দেখিয়া শাহজাদার অন্তঃকরণে বড়ই দয়া হইল। তিনি পকেট হইতে একটি মোহর বাহির করিয়া ফকীরকে দিলেন । ফকীর বলিল—“হে দাতা ! ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করন। তুমি বোধ হয় পথিক, এ সহরের অধিবাসী নহ।” বদ্ধ এইরপে রাজপত্রকে আশীব্বাদ করিয়া চলিল। কিছদরে একটি দোকানে গিয়া, মোহর ভাঙ্গাইয়া, সন্ত্রীলোকের উপযুক্ত একটি সন্দের রেশমী বস্ত্র খরিদ করিল। বাকী টাকায় খাদ্য দ্রব্যাদি কিনিয়া, আবার চলিতে লাগিল। ইহা দেখিয়া রাজপত্র কিছ বিস্মিত হইলেন। স্বীয় সহচরকে কহিলেন—“মবোরক ! এ ব্যক্তি ফকীর, তবে সত্ৰীলোকের উপযোগী রেশম বস্ত্র ক্ৰয় করে কেন ?” মবোরক বলিল—“কি জানি, তাহা ত বলিতে পারি না। বোধ হয়, উহার গহে সী কন্যা কেহ আছে। তোমার যদি এতই কৌতুহল হইয়া থাকে, চল না, উহার পশ্চাৎ পশ্চাৎ যাই, তাহা হইলেই জানিতে পারিব।” 事 মবোরকসহ শাহজাদা ফকীরের পশ্চাৎ পশ্চাৎ যাইতে লাগিলেন । ফকীর ক্ৰমে নগরসীমা ছাড়িয়া বাহিরে গেল। সেখানে রাজপত্র দেখিলেন, বড় বড় অট্টালিকা গহাদির ভগ্নস্তপে পড়িয়া রহিয়াছে। বাগান ছিল অনমানে বুঝা গেল, এখন জঙ্গলে পরিপর্ণ হইয়া গিয়াছে। জলের ফোয়রা ছিল, তাহা ভগ্ন। দেখিয়া রাজপত্রে মনে করিলেন, বোধ হয় পাবে এখানে কোনও রাজা বা ধনবান ব্যক্তির বসতি ছিল, এখনও তাহারই চিহ্ন বিদ্যমান। বদ্ধ লাঠিতে ভর করিয়া সেই ভগ্নস্তাপের মধ্যবত্তী একটি সামান্য মত্তিকামর কুটীরে প্রবেশ করিয়া বলিলেন—“বেটী! কোথা আছিস ?” কুটীর হইতে DD DDDSBBS DBBDS DD gBD DD DBB BBBS BBB CS বদ্ধ বলিলেন—“বেটী। আজ ঈশ্বর কর্ণা করিয়া একটি যাবা পথিককে আমার