পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/৩৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গলে বেগমের আশ্চৰ্য গল্প ●brö অগ্নি জৰলিতে লাগিল, আমি তৈলের প্রভাবে সন্থে শরীরে তাহার মধ্যে বসিয়া রহিলাম। পরদিন প্রভাতে, আমি পড়িয়াছি কি না দেখিবার জন্য পরী-বাদশাহ ও তাঁহার বেগম আগমন করলেন। আমি জলন্ত অগ্নিকুণ্ডের মধ্য হইতে তাঁহাদিগকে সসন্মানে সেলাম করিলাম, আমাকে জীবিত দেখিয়া তাঁহারা পরম বিসিমত হইলেন। বলিলেন—“একি আশচষ্য ব্যাপার, তুমি জীবিত আছ?” পরী-বেগম কহিলেন—“নিশ্চয়ই ও কোনও দেবযোনিসম্প্রভূত হইবে। মনয্যে নহে।” তাঁহারা আমাকে বাহিরে আসিতে বলিলেন। আমি তাঁহাদিগের নিকট গিয়া দাঁড়াইলাম। পরী-বেগম বাদশাহকে কহিলেন—“এ মরে নাই ভালই হইয়াছে। কল্য হইতে আমার কন্যা কাঁদিয়া কাঁদিয়া মরণাপন্ন হইয়াছে। চল ইহাকে লইয়া গিয়া তাহার সহিত বিবাহ দিই। মহাসমারোহে পরী-কন্যার সহিত আমার বিবাহ হইল। কয়েক দিবস শবশরোলয়ে অবস্থিতি করিয়া নবপরিণীতা পত্নীকে লইয়া, বরাজ্যে প্রত্যাবত্তন করিলাম। সেই পরীকন্যারই নাম গলে। হে বিদেশি, সেই পন্যাকেই তুমি আজ শঙ্খলাবদ্ধ দেখিগাছ। তাহর কারণ ক্ৰমে বলিতেছি। দেশে ফিরিয়া গ,লবেগমের সহিত প্রণযসুখে কালাতিপাত করিতে লাগিলাম। একদিন ভোর সময় নিদ্রাভঙ্গ হইলে দেখিলাম, গলবেগমের হাত পা বরফের মত শীতল। কারণ জিজ্ঞাসা করিলে সে বলিল কিছুক্ষণ পাবে বাহিরে গিয়াছিল, হাত পায়ে জল দেওয়াতে অমন শীতল হইয়া গিয়াছে। আমি তখন উহার কথা সত্য বলিয়াই বিশ্ববাস করিলাম, কয়েকদিন পরে পনরায় জাগিয়া ঐ প্রকার দেখিলাম এবং বেগম ঐ উত্তরই দিল। তখন আমার সন্দেহ হইল যে বোধ হয় রাত্রে কোথাও যায়, তাই শীতে হাত পা শীতল হয় । এ কথা আমি মনে মনেই রাখলাম, প্রকাশ করিলাম না। একদিন অথবশালাষ গিষা দেখি আমার উৎকৃষ্টতম অশ্বটি জীণ শীণ কলেবর হইয়া রহিয়াছে। রক্ষকগণকে গালিমন্দ দিতে লাগিলাম, বলিলাম—“তোরা নিশ্চয়ই দানা চারী করিস নহিলে আমার এমন মোটা তাজা ঘোড়া এমন হইয়া গেল কেন ?” তখন প্রধান আশবরক্ষক বলিল—“জাঁহাপনা, যদি প্রাণদান পাই তবে ইহার কারণ খালিয়া বলি।” আমি প্রাণদান দিলাম। সে তখন বলিল—“পৃথিবীপালক, প্রত্যহ রাত্রে বেগম সাহেবা এই অশবকে খলিয়া কোথায় লইয়া যান এবং ভোর বেলায় ফিরাইয়া আনেন। অত্যধিক পরিশ্রমে ঘোড়া এমন দাবাল হইয়া গিয়াছে।” শুনিয়া আমি মৌন হইয়া বাজবটীতে ফিরিয়া আসিলাম। রাত্রে পরীক্ষা করিবার জন্য কপট নিদ্রাগ্রস্ত হইষা জাগিয়া রহিলাম। কিছুক্ষণ পরে দেখি, বেগম আমাকে iনদ্রিত মনে করিয়া উঠিল । প শবদেশে শিঙ্গার কামরায় গিয়া দাঁতে মিশি, চোখে সরমা, গণ্ডস্থলে গোলাপী রঙ প্রভৃতি দিয়া বহমাল্য পেশোয়াজ পরিয়া, নানা রত্নালঙ্কারে ভূষিতা হইয়া, অবশালাব দিকে গমন করিল। আমার সেই বেগবান উৎকৃষ্ট অবটি খলিয়া লইয়া, তাহাতে আরোহণ করিয়া, বাহির হইল। আমি অন্য একটি অশেব আরোহণ করিয়া গোপনে তাহার পশ্চাৎ পশ্চাৎ যাইতে লাগিলাম। আমার প্রিয় কুকুরটিও ঘোড়ার পশ্চাৎ পশ্চাৎ ছটিয়া আসিতে লাগিল। ক্লমে গলবেগম নগর ছাড়াইযা মাঠে গিয়া পড়িল। সেখানে একজন হাবসী, কুটীর নিম্মাণ করিয়া বাস করিত। সাধারণ হাবসীগণের মতই তাহার গাত্রবণ” মসীতুল্য ছিল, তাহার মুখাবয়ব অতি কদাকার ছিল। হাবসী কুটীরের বাহিরে দণ্ডায়মান ছিল। গলেবেগম অশব হইতে অবতরণ করিয়া তাহার নিকট গেল। তাহাকে দেখিবামাত্র সেই হাবসী নিজের পা হইতে জনতা খালিয়া বেগমকে পটাপট মারিতে লাগিল আর বলিতে লাগিল SBBBDD S DDD BB BBD DBD DDBB BB S BB BBBBBB DDB BBBB ফল ছড়িয়াও মারি নাই, সেই স্কুমারীকে এরপে ভাবে প্ৰহত হইতে দেখিয়া ভাবিলাম e/86.