পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/৩৯৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গলে বেগমের আশচয্য গল্প ●ba BBBB BBBD DDDBBS DDD BB BBBB BD DDD DDD DDBB DDD कन्नदन ।” সনোবর শাহ অনেক চিন্তা করলেন, কিন্তু এ প্রশ্নের উত্তর তিনি কিছই অবগত ছিলেন না। সতরাং রাজকুমারের সম্পণে সংশয় দরে করিতে অসমথ হইয়া, তাঁহার মস্তক কত্তন করিতে ক্ষান্ত থাকিলেন । রাজকুমার আর কিছুদিন সনোবর শাহের সেবায় নিযুক্ত থাকিয়া একদিন দেশে প্রত্যাবৰ্ত্তন করিবার জন্য অনুমতি প্রার্থনা করিলেন। সনোবর শাহ তাঁহাকে বহ রক্ষমাণিক্যাদি উপহার দিয়া দুঃখিত মনে বিদায় দিলেন। রাজকুমার তখন বাজার হইতে সাত দিনের আহারোপযোগী মাংসের কাবাব ক্লয় করিয়া, সাতটি মশক জলে পণ করিলেন। তাহার পর সী-মোরগের একটি পালক আগন জবালিয়া দগধ করিলেন। দেখিতে দেখিতে সী-মোরগ আসিয়া উপস্থিত হইল। রাজকুমার খাদ্যাদিসহ তাহার পক্ষে আরোহণ করিয়া একে একে সাতটি নদী পার হইলেন। সী-মোরগ এবং সী-মগী বিবিধ প্রকারে রাজকুমারের আতিথ্য করিল। সেখানে কয়েকদিন বিশ্রাম করিয়া, নিজ অশেব আরোহণ করিয়া প্রস্থান করিলেন। ক্ৰমে হাবসীর দগে পেশছিয়া, হাবসী কন্যাকে বিবাহপবেক, বহু-রত্ন সহ গহযাত্রা করিলেন। কয়েক দিবস পথ পয্যটনের পর ব্যাঘ্র রাজার দেশে আসিয়া পেশছিলেন। সেখানে পব্বেমত ব্যাঘ্ররাজার সেবা করিলেন এবং ব্যাঘ্ররাজা নিজ সৈন্য সঙ্গে দিয়া সেই মহাবন তাঁহাকে পার করাইয়া দিল । আরও কয়েক দিবস পরে জমিলাবানর দেশে পেপছিলেন। সেখানে প্রতিশ্রুতি মত তাহাকে বিবাহ করিয়া কিয়দিন বহসেখে অতিবাহিত করিয়া, জমিলাবানকে সঙ্গে লইয়া প্রস্থান করিলেন। কয়েক দিনের মধ্যে রাজকুমার লতিফাবানরে দেশে পৌছিলেন। তাহার বাগানে প্রবেশ করিয়া, জমিলাবান একে একে সমস্ত হরিণকে ইন্দ্রজালমন্তে করিয়া দিলেন। তাহারা নানা দেশ বিদেশের বাদশাজাদা। জমিলাবান ও অলমাশকে বহু ধন্যবাদ দিতে লাগিল। অলমাশ তখন সেই যুবকগণকে আজ্ঞা দিলেন—“যাও, লতিফাবানকে বধিয়া লইয়া আইস ।” তাহারা অবিলবে লতিফাবানকে বধিয়া রাজকুমারের পদতলে নিক্ষিপ্ত করিল। রাজকুমার বলিলেন, “ইহার মাংস টকরা টকরা করিয়া কুকুরকে খাওয়াইলে তবে ইহার উপযুক্ত দণ্ড হয।” কিন্তু জমিলাবান লতিফাবানর ভগ্নী ছিল। ভগ্নীর প্রাণরক্ষাথ জমিলাবান রাজকুমারকে অনেক অননয় করতে লাগিলেন। তখন রাজকুমার বলিলেন—“আচ্ছা এ যদি পবিত্র মোহামদীয় ধম্ম গ্রহণ করে এবং শপথপবেক ইন্দুজালচচ্চ পরিত্যাগ করে, তবে ইহাকে ক্ষমা করিতে পারি।” লতিফাবান প্রাণভয়ে স্বীকৃত হইল। রাজকুমার তখন তাহাকে কলমা পড়াইযা মসলমান ধৰ্ম্মে দীক্ষিত করিলেন এবং শপথ করাইয়া লইলেন যে, আর কখনও ইন্দুজালচচ্চা করিবে না। অতঃপর তাহাকে ক্ষমা করিয়া, সেখান হইতে প্রস্থান করিলেন। নানা দেশের রাজপত্রগণও আনন্দ মনে নিজ নিজ গহে প্রত্যাবৰ্ত্তন করিল। পথভ্রমণে এক মাস কাটিলে পর বাদশাজাদা পনবার রামদেশে পেপছিলেন। কৈমশ শাহের রাজধানীতে উপস্থিত হইষা, মহাবলে রাজাবারের ডাকা বাজাইয়া দিলেন। ডকা বাজিবামাত্র কয়েকজন রাজভৃত্য তাঁহাকে কৈমশে শাহেব নিকট লইয়া গেল। বাদশাহ বলিলেন—“হে যবেক, তোমার কি মতিচ্ছন্ন ধরিয়াছে ? কত হাজার রাজপত্র আসিয়া প্রশেনাত্তর দানে অসমথ হইয়া প্রাণ দিয়াছে তাহা কি তুমি জান না ? তোমার নিকট তোমার প্রাণের মল্যে কি কিছুই নাই?” ইহা শনিয়া রাজপত্র বলিলেন—“পথিবীপতি, আমি বহন কন্টে এ প্রশ্নের উত্তর