পাতা:গল্প-গ্রন্থাবলী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) তৃতীয় খণ্ড.djvu/৩৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(ల్సిO গল্প-গ্রন্থাবলী কোনও প্রকার থলেমাৎসবে যোগদানও তাহার পক্ষে নিষিদ্ধ। কিন্তু শাস্ত্রে এক সন্ত্রী পড়িয়া মরিবার কথাই আছে, এ ক্ষেত্রে দই পত্নী বৰ্ত্তমান। উভয়েই সে সম্মান দাবী করিতে লাগিল। এই উপলক্ষে উভয়ের মধ্যে তুমলে কলহ বাধিয়া গেল। একজন বলিল— "আমি জ্যেষ্ঠা, আমিই এ গৌরবের ন্যায্য অধিকারিণী।” কনিষ্ঠা কহিল—“তুমি অন্তঃসত্ত্বা, শাস্যানসারে তোমার পড়িয়া মরা নিষিদ্ধ।’ অবশেষে কনিষ্ঠারই জয় হইল। জ্যেষ্ঠা তখন নিজ পরিধেয় বসন ও মস্তকের কেশ ছিড়িতে ছিড়িতে, বিলাপ করিতে করিতে সে পথান পরিত্যাগ করিয়া গেল—যেন তাহার কতই না দভাগ্য উপস্থিত হইয়াছে। কনিষ্ঠা সা-Lন্দ বিবাহোচিত বসন ভূষণে সজিত হইয়া, হাসিতে হাসিতে সগবে দাহপথানে উপনীত হইল। নিজ বসনভূষণ সখিগণকে বিতরণ করিয়া, সকলের নিকট শেষ বিদায় লইয়া, অবিচলিত পদক্ষেপে, জ্যেষ্ঠভ্রাতার সাহায্যে প্ৰামীর চিতায় আরোহণ করিল। সমবেত দশকমণ্ডলী হষাসচক চীৎকার ও হরিধনিতে আকাশ বিদীর্ণ করিতে লাগিল। যে পরিবারে কেহ “সতী” হয়, সমাজ মধ্যে সে পরিবারের যশের সীমা থাকে না। ঘে ব্রাহ্মণ এ ব্যাপারে পৌরোহিত্য করেন, তাঁহার নাম ও দক্ষিণা দই-ই বাড়িয়া যায়। এমন কি দেশীয় রাজপরষগণ জাঁকজমকের সহিত সতীদাহপথানে আসিয়া দশ করপে দন্ডায়মান হন। বিধবারা শুধ সামষিক কৃত্রিম উত্তেজনার বশেই এরপে অস্বাভাবিক কায্যে প্রবত্ত হয় সন্দেহ নাই। তবে সব সময়ে একথা খাটে না। মেজর কাণাক বরোদারাজ্যে রেসিডেন্ট থাকার সময় নিমনলিখিত ঘটনাটি ঘাঁটয়াছিল। বরোদা-নিবাসী একজন দক্ষিণী ব্রাহ্মণ, গোয়ালিয়র-রাজ দৌলং রাও সিন্ধিয়ার অধীনে কারকুণের কম করিতেন। ১৮১৫ সালে তাঁহার পত্নী (বরোদায়) এক রজনীতে বপন দেখিলেন, যেন তাঁহার স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে। স্বপন দশন করিয়া কয়েকদিন অবধি তাঁহার মন অত্যন্ত চঞ্চল হইয়া রহিল। একদিন কাপ হইতে জলের কলসী মাথায় করিয়া তিনি গহে ফিরিতেছিলেন। গলার হারই সে দেশে সধবার চিহ্ন, সেটি তিনি কলসীর গলায় রাখিয়া আনিতেছিলেন। হঠাৎ একটা কাক পড়িয়া কলসীর গলা হইতে সেই হার মুখে লইয়া উড়িয়া পলাইল। এইরুপ দনিমিত্ত ঘটায় ভয়ে ও চিন্তায় ব্রাহ্মণকন্যা অতিশয় কাতর হইয়া পড়িলেন। কলসী সেখানেই আছাড়িয়া ফেলিয়া গহে আসিয়া বলিলেন, “আমি সতী হইব।” রেসিডেন্ট সাহেব এই সংবাদ পাইবামাত্র, সেই ব্রাহ্মণগহে গিয়া সীলোকটিকে অনেক বঝোইলেন, এ কাষ" হইতে তাঁহাকে বিরত করিবার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করিলেন, কিন্তু কোনও ফল হইল না। সাহেব তখন বরোদা মহারাজের নিকট গিয়া সমুদয় বিবরণ কহিলেন। তাঁহার অনুরোধক্ৰমে মহারাজও স্বয়ং সেই ব্রাহ্মণের বাড়ীতে গিয়া সীলোকটিকে অনেক প্রকারে বঝোইলেন। বলিলেন, “তোমার স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে এমন সংবাদ কিছুই পাওয়া যায় নাই, কেন তুমি অকারণ আত্মহত্যা করিতে যাইতেছ? যদি সত্য সত্যই তোমার স্বামী মরিয়া থাকেন, তুমি যাবজ্জীবন রাজসরকার হইতে খোরপোষ পাইবে, তোমার স্বামীর উপাজনের উপর আর যাহার যাহার অশনবসন নিভীর করিত, সকলকেই আমি প্রতিপালন করিব, তুমি এ সংকল্প পরিত্যাগ কর।” কিন্তু তথাপি তিনি অটল রহিলেন। মহারাজ তখন নিজ সিপাহীগণকে আদেশ দিয়া আসিলেন—“তোমরা এ বাড়ীর চারিদিকে অষ্টপ্রহর পাহারা দাও, সাবধান যেন কোনওক্লমে সন্ত্রীলোকটি বাহিরে না বাইতে পারে।” মহারাজ প্রস্থান করিলে, সিপাহীগণকে ব্রাহ্মণকন্যা অনেক কাকুতি মিনতি করিলেন --"रकन ऊाभब्रा ठाभाग्न आफैंकाईझ ब्राषिग्नाइ, छक्लिझा माe ।” किन्ट्र निणाशौब्रा ब्राछআজ্ঞা লঙ্ঘন করিতে সাহস করিল না। অবশেষে সন্ত্রীলোকটি একখানা ছোরা অনিয়া