|
|
৭টি দৃশ্যে ৪৫টি গান; তন্মধ্যে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ স্বর্ণকুমারী ও অক্ষয় চৌধুরীর কতকগুলি গান থাকিলেও, রবীন্দ্রনাথের রচনাই ২৮টি। তাহা ছাড়া, সব-শেষে সুর-তালের উল্লেখ-হীন ‘যে তোরে বাসে রে ভালো’ ইত্যাদি কয় ছত্র ইন্দিরাদেবীর অভিমতে আবৃত্তির বিষয় মাত্র— ‘শিশু’ কাব্যে পাওয়া যাইবে। বিবাহ-উৎসব[১] -ধৃত রবীন্দ্রনাথ-রচিত সবগুলি গান গীতবিতানে সংকলিত; তন্মধ্যে
[২]
[৩]|}
- ↑ প্রাপ্ত পুস্তিকার প্রচার তৃতীয় পাদটীকায় উল্লিখিত ঠাকুরবাড়ির পারিবারিক বিশেষ বিবাহ উৎসবের সমকালীন নহে, তাহার অনেক পরে, ইহা নিঃসন্দেহ। সাহিত্য-সাধক-চরিতমালার ‘২৮’ সংখ্যায় (মাঘ ১৩৫০/পৃ ১৭) ব্রজেন্দ্রনাথ এই পুস্তিকার বেঙ্গল লাইব্রেরির তালিকা ভুক্তির যে তারিখ দিয়াছেন— ১৩ মে ১৮৯২ [১ জ্যৈষ্ঠ ১২৯৯]—তাহা গ্রন্থপ্রচারের খুব কাছাকাছি সময় সন্দেহ নাই। তেমনি নিঃসন্দেহে বলা যায় ইহা বিশেষ ভাবে স্বর্ণকুমারীদেবীর রচনা নহে; প্রথম দৃশ্যে ৭টি গানের মধ্যে”
- ↑ পৃ ২৪৪-৫২। ‘মহিলা শিল্পমেলায় অভিনীত।’ অপিচ দ্রষ্টব্য ভারতী ও বালক, ১২৯৯ পৌষ, পৃ ৫২৬, নীচে হইতে অষ্টমসপ্তম ছত্রে— ‘মহিলা শিল্পমেলায় অভিনীত হইবার উদ্দেশ্যে “বিবাহ উৎসব” পুস্তক ছাপাইবার পূর্ব্বে’ ইত্যাদি । মনে হয়, মাসিক পত্রে প্রথম দৃশ্যের স্বরলিপি-যুক্ত প্রচার ও ‘বিবাহ উৎসব’ পুস্তিকার প্রকাশ প্রায় সমকালীন। প্রথম দৃশ্যের শেষ গানটি মাত্র রবীন্দ্রনাথ-রচিত: নাচ্, শ্যামা, তালে তালে ইত্যাদি ।
- ↑ দ্রষ্টব্য ইন্দিরাদেবী-রচিত ‘রবীন্দ্রস্মৃতি’ গ্রন্থের ‘নাট্যস্বতি’ অধ্যায়ে ‘বিবাহ-উৎসব’ প্রসঙ্গ। অপিচ দ্রষ্টব্য সরলাদেবী চৌধুরানীর ‘জীবনের ঝরা পাতা’ (১৮৭৯ শক) গ্রন্থ; তদনুযায়ী (পৃ ৫৬) হিরণ্ময়ীদেবীর বিবাহ উপলক্ষ্যে ইহার রচনা। জানা যায় শেষোক্ত ঘটনা রবীন্দ্রনাথের বিবাহ (২৪ অগ্রহায়ণ ১২৯০) হইতে ৩ মাস পরে; দ্রষ্টব্য: সমকালীন ১।১৩৬৪। পৃ ২০-২১।
|