বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:গীতবিতান.djvu/১১২৯

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
গ্রন্থপরিচয়
১০০১

খানে জাগরণ মুগ্ধ চোখে
কেন সংশয়শঙ্কিত চিত্ত
মগন কেন অবসাদে
রুদ্ধ বদ্ধ কেন ভয়বন্ধনে
জীর্ণ [কেন] দুখশো[কে]


৮৬১-৬৮।
১-১৭ সংখ্যা॥ আনুষ্ঠানিক সংগীত॥
৮৬১।১
‘বর্দ্ধমান দুর্ভিক্ষ উপলক্ষে রচিত’। ১২৯২ বৈশাখে প্রকাশিত ‘রবিচ্ছায়া’ গ্রন্থের সর্বশেষ গান।
৮৬১।২
‘ভারতীয় সঙ্গীত সমাজ’ আচার্য জগদীশচন্দ্রকে সম্বর্ধনা জানাইতে ১৯ মাঘ ১৩০৯ বা ২ ফেব্রুয়ারি ১৯০৩ তারিখে যে সারস্বত সম্মিলনের আয়োজন করেন, তদুপলক্ষে রচিত। সম্প্রতি চিঠিপত্রের ষষ্ঠ খণ্ডে পাণ্ডুলিপির প্রতিচিত্র এবং আনুষঙ্গিক বিবরণ (পৃ ২৪৬) -সহ প্রচারিত হইয়াছে।
৮৬২।৩
মাতৃমন্দির-পুণ্য-অঙ্গন ইত্যাদি যে গান গীতবিতানের প্রথম খণ্ডে (স্বদেশ: ১৭ সংখ্যা) মুদ্রিত, তাহার বহু পাঠান্তরের মধ্যে এটিকে বিশিষ্ট বলা চলে। ১৯৪০ অগস্টে অক্‌স্‌ফোর্ড্ বিশ্ববিদ্যালয় -কর্তৃক শান্তিতিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথকে ‘ডক্টর’ উপাধি দেওয়া হয়, তদুপলক্ষ্যে রচিত। শ্রীশান্তিতিদেব ঘোষের ‘রবীন্দ্রসংগীত’ গ্রন্থ দ্রষ্টব্য।
৮৬২-৬৩।
৪-৬ সংখ্যা ‘রবিচ্ছায়া’ হইতে সংকলিত। তন্মধ্যে ‘জগতের পুরোহিত তুমি’ (৪) গানটি রচনার বিশেষ উপলক্ষ্য ১৫ শ্রাবণ ১২৮৮ (২৯ জুলাই ১৮৮১) তারিখে কৃষ্ণকুমার মিত্রের সহিত রাজনারায়ণ বস্তু মহাশয়ের চতুর্থ কন্যা লীলাবতীর বিবাহ। এই সময় রবীন্দ্রনাথ আরও যে দুইটি গান লিখিয়া দেন বলিয়া জানা যায় তাহা হইল ‘দুই হৃদয়ের নদী’ ও ‘শুভদিনে এসেছে দোঁহে —উভয় গানই গীতবিতান গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ডে ‘আনুষ্ঠানিক’ অধ্যায়ে সংকলিত, সংখ্যা যথাক্রমে ৬ ও ৯। রবীন্দ্রজীবনীর প্রথম খণ্ডে (১৩৭৭/পৃ ১৫১) লীলাবতী দেবীর দিনপঞ্জী উদ্ধার করিয়া বলা হইয়াছে: ‘নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, সুন্দরীমোহন দাস, অন্ধ