বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:গীতবিতান.djvu/১১৩১

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
গ্রন্থপরিচয়
১০০৩
৮৬৬।১৩
ইহার রচনা ৩ ডিসেম্বর ১৯৩৯ তারিখে নবপরিকল্পিত ‘ডাকঘর’ নাটকের শেষ দৃশ্যে ‘সুপ্ত’ অমলের শিয়রে ঠাকুরদার গান -রূপে। উল্লিখিত নাটক শেষ পর্যন্ত মঞ্চস্থ হইতে পারে নাই। শুনা যায় কবি অভিপ্রায় প্রকাশ করেন যে, গানটি তাঁহার দেহত্যাগের; পূর্বে যেন প্রচারিত না হয়; তাঁহার শ্রাদ্ধবাসরে ইহা প্রথম সাধারণসমক্ষে গীত হয়। উল্লিখিত ‘ডাকঘর’ নাটকের অন্ত গানগুলি এই গ্রন্থের ৮১০-১২ পৃষ্ঠায় (সংখ্যা ১২৭-১৩২) মুদ্রিত।
৮৬৬।১৪
২৫ ডিসেম্বর ১৯৩৯ তারিখে খ্রীস্টদিবসের উদ্‌যাপন-উদ্দেশে রচিত, ‘প্রবাসী’র ১৩৪৬ মাঘ-সংখ্যায় ‘বড়দিন’ শিরোনামে মুদ্রিত।
৮৬৭।১৫
‘অন্ধদের দুঃখলাঘব শিবির প্রতিষ্ঠা উপলক্ষ্যে’ কলিকাতায় ২ নভেম্বর ১৯৪০ তারিখে রচিত। ‘প্রবাসী’র ১৩৪৭ অগ্রহায়ণ সংখ্যায় ২৭০ পৃষ্ঠার দ্বিতীয় সম্পাদকীয় মন্তব্যটি দ্রষ্টব্য।
৮৬৭।১৬
‘সৌম্য আমাকে বলেছে মানবের জয়গান গেয়ে একটা কবিতা লিখতে··· তাই একটা কবিতা রচনা করেছি, সেটাই হবে নববর্ষের গান।’ কবির এবংবিধ উক্তি হইতে জানিতে পারি, শ্রীসৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুরোধে কবি মানব-সাধারণের অভ‍্যুত্থান সম্পর্কেই এইটি রচনা করেন ১ বৈশাখ ১৩৪৮ তারিখে। এই রচনা সম্পর্কে অন্যান্য তথ্য এবং পাঠান্তর শ্রীশান্তিদেব ঘোষের ‘রবীন্দ্রসংগীত’ (প্রচলিত সংস্করণ) গ্রন্থে পাওয়া যাইবে।
৮৬৮।১৭
‘হে নূতন’ গান সম্পর্কে পূর্বোক্ত গ্রন্থে শ্রীশান্তিদেব ঘোষ বলেন, ‘এই তাঁর জীবনের সর্বশেষ গান।’ কবি বহুদিন পূর্বে (২৫ বৈশাখ ১৩২৯) যে কবিতা (পঁচিশে বৈশাখ: পূরবী) লিখিয়াছিলেন তাহারই শেষ দিকের কতকগুলি ছত্র লইয়া, একটু-আধটু পরিবর্তন করিয়া, ইহার রচনা ও সুরযোজনা বাংলা ১৩৪৮ সালের ২৩ বৈশাখ তারিখে; কবির পরবর্তী জন্মোৎসবে গাওয়া হয়।
৮৭১-৯১২।
১-১০১ সংখ্যা॥ প্রেম ও প্রকৃতি॥
৮৭২-৭৫।
৫-১১ সংখ্যা ‘শৈশবসঙ্গীত’ (১২৯১) কাব্যে মুদ্রিত। তন্মধ্যে—
৮৭৩।৬
‘ফুলবালা’র অন্তর্গত ‘গান’