পাতা:গীতরত্ন গ্রন্থঃ (১৮৭০)- রামনিধি গুপ্ত.djvu/১০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরপোকারে কটি করিভেন না, দান্নগ্ৰস্ত ব্যক্তি নিকটস্থ হইলেই যথা সম্ভব দান দ্বারা তাহাকে তুষ্ট করিতেন, আপনি সম্পূর্ণ ৰূপ সাহায্য করণে অক্ষম হইলে জঙ্ককে অনুরোধ করিতেন, এই ৰূপে স্বতঃ পরতঃ যে প্রকারে হউক লোকের উপকার করিতে পারিলেই সুখী হইতেন এ কারণ তাহার প্রশংসাপুষ্পের স্কুবাল সৰ্ব্বত্রই বিস্তৃত হুইয়াছিল। শোভাবাজারস্থ বটতলার পশ্চিমাংশে বড় এক খান প্রসিদ্ধ আটচালা ছিল নিধুবাবু প্রতি দিবস রজনীতে তথায় গিয়া সং গীত বিষয়ের আমোদ করিত্নে, ঐ স্থানে এই নগরস্থ প্রায় সমস্ত সৌখিন, ধনী ও গুণী লোকেরা উপস্থিত হইয়া বাবুর ক্ষুধামন্ত্র কণ্ঠ বিনির্গত সুমধুর সঙ্গীত স্বরে মুগ্ধ হইতেন । নিমতলা নিবাসী সুবিখ্যাত বাৰু শ্ৰীনাৰায়ণ চন্দ্র মিত্র মহাশয় পক্ষির দল করিয়া উক্ত প্রসিদ্ধ আটচালায় সৰ্ব্বদা উল্লাসকরিতেন পক্ষির দলের পক্ষী সকল ভদ্রসন্তান উপস্থিত বক্ত এবং উপস্থিতকবি ও বাৰু এবং সৌখিন নামধারী সুধী ছিলেন, পক্ষিরণলের নিধুবাবুকে অভ্যস্ত মাঞ্চ করিতেন। পক্ষিগণ আপনং গুণামুসারে নাম পাইতেন এবং সেই নাম প্রায় নিধুবাবুর দ্বার প্রাপ্ত হইয়া সুখী জ্ঞান করিতেন পক্ষির দলের বিস্তুর রহস্যজনক গীত এবং ইতিহাস আছে তাই এস্থলে উল্লেখ করিবার প্রয়োজন ुट्झ न ! পরন্তু নিধুবাবুর সংগীত বিদ্যার অনুরাগ নাম সস্তুম সুন্দর ৰূপে প্রকাশ হইলে বঙ্গ দেশের নানা স্থান হইতে প্রধান প্রধান লোকের কলিকাতায় আগমন করত উহার গান শুনিয়া সমূহ যন্তোষ লাভ করিতেন। ইহঁরা তীৰতেই বাবুর নিকট আলিতেন কিন্তু বাবু প্রায় কখনই কাছার নিকটে গমন করিতেন না, কারণ তিনি স্বাধীনত সন্মানের উপর নিয়ন্তই দৃষ্টি রাশ্বিভেন তোষামোদাদি উপাসনাকে অত্যন্ত হেয়ঞান করিতেন । কোন কোন