বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:গুরুদক্ষিণা - সতীশচন্দ্র রায় (১৯২২).pdf/৩৩

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

পারিব। আমার শরীর দৃঢ় হইয়াছে—ক্লেশে ভয় পাইব না, আমার জিহ্বা মধুময় হইয়াছে—কাহাকেও কথা দ্বারা কষ্ট দিব না। আমার কান গভীর শ্রবণশক্তি লাভ করিয়াছে—সকলের কথাই আমার হৃদয়ে প্রবেশ করিবে, এবং আমার হৃদয় শান্ত হইয়াছে—সকলকেই আমি ভালবাসিব। মহাত্মন্, আপনাকে কোটি কোটি প্রণাম—কোটি কোটি প্রণাম—আপনিই আমার পিতা, আপনার আশীর্ব্বাদ অক্ষয় কবচের মত চিরদিন আমাকে ঘিরিয়া থাকিবে। গুরো, এখন আদেশ করুন আপনাকে কি দক্ষিণা আনিয়া দিব। দক্ষিণা দিয়া বিদায় হইব।”

 উতঙ্ক যখন এইরূপ নিবেদন করিতেছিলেন তখন শিষ্যগণ সকলেই তাঁহার দিকে চাহিয়া মুখ ম্লান করিল। উতঙ্ক চলিয়া যাইবে শুনিয়া তাহাদের চোখ জলে ভরিয়া উঠিল—গুরুদেবও ছলছল চক্ষে, অথচ একটু হাসিয়া বলিলেন “বৎস উতঙ্ক, গুরুর হৃদয় সর্ব্বদা শিষ্যের সহিত থাকে, গুরুর আশীর্ব্বাদ মেঘে মিলিয়া বৃষ্টিরূপে শিষ্যের মাথায় পড়ে, সূর্য্যের আলোকে মিলিয়া শিষ্যের চক্ষে

১১