তৃতীয় পরিচ্ছেদ
করিয়া থাকে। অশুচি কোন লোক তাঁহার সম্মুখে গেলে তাঁহাকে দেখিতে পায় না। তাঁহার সোনার কুণ্ডল দুটিকে স্বয়ং নাগরাজ তক্ষক পর্য্যন্ত তাঁহার রসাতলের ভাণ্ডারে লইয়া গিয়া গোপন করিয়া রাখিতে ইচ্ছা করেন। আমার বড়ই ইচ্ছা হয় একবার সেই সতীর কুণ্ডলের স্পর্শ অনুভব করি। একবার সেই কুণ্ডল পরিয়া তপস্বী ব্রাহ্মণগণকে পরিবেষণ করিয়া ভোজন করাই। আমার পূর্ণিমার ব্রত তাহা হইলেই সফল হইবে, কল্যাণে পূর্ণ হইবে। বৎস, তোমাদের কল্যাণের জন্যই ঐ ব্রত আমি আরম্ভ করিয়াছি। আর তিনদিন পরেই সেই ব্রত-নিমন্ত্রণ; বৎস, শুভশুক্লার কুণ্ডল পরিয়া আমি ঐ নিমন্ত্রণে ব্রাহ্মণগণকে পরিবেশন করিব—তুমি ঐ কুণ্ডল আনিয়া দাও। তুমি ব্রহ্মচারী হইয়াছ—সেই সতীর কুণ্ডল তুমিই আনিতে পারিবে।”
উতঙ্ক অত্যন্ত আহ্লাদিত হইয়া উঠিলেন। ঋষিপত্নীর পায়ে নমস্কার করিয়া আনন্দে চলিয়া গেলেন—আজই দক্ষিণা আনিতে যাইবেন।