এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ
উতঙ্ক পৌষ্যরাজার বাড়ীতে যাত্রা করিয়াছেন। তপোবনের কাছের মাঠটি ছাড়াইয়া উতঙ্ক নিবিড় বনের মধ্যে প্রবেশ করিলেন। তখন দুপুর—বনের বড় শোভা হইয়াছে—গাছের ছায়ার মধ্যে মধ্যে রৌদ্র পড়িয়াছে—বোধ হয় যেন সব রশ্মিরূপী চোর আলোরেখার মই বাহিয়া অন্ধকার বনের ফুল চুরি করিতে নামিয়া আসিতেছে। গাছের গুঁড়ির কোটরে কোটরে পাখী মুখ বাহির করিয়া আছে—রাঙা ঠোঁট কালো ঠোঁট দেখিয়া মনে হয় যেন গাছেরি রাঙা কালো পাতা বাহির হইয়াছে। কোথাও এক এক বনস্পতি প্রকাণ্ড গুঁড়ির উপরে বড় বড় ডালপালার একেকটা গ্রাম ধরিয়া যেন দাঁড়াইয়া আছে। কোথাও সারি-সারি তালগাছ কোথায় উঁচু হইয়া উঠিয়া গিয়াছে—মাথায় মাথায়—পক্ষীর পাখনার মত পাতায় পাতায় মিলাইয়া কাঁধগুলির কাছে একটা ঘুরঘুটি অন্ধকার করিয়া রাখিয়াছে, কোথাও সাতসাতটি সুন্দর আঙুলের মত
১৯