চতুর্থ পরিচ্ছেদ
কোথাও কিছু নাই হঠাৎ মাঠের মাঝখানে এক প্রকাণ্ড কালো বৃষ! কি আশ্চর্য্য! এ আসিল কোথা হইতে? এত বড় বৃষ পৃথিবীতে আছে বলিয়া তো উতঙ্ক জানিতেন না। ভাল করিয়া দেখিবার জন্য চক্ষু রগড়াইয়া লইলেন। রগড়াইয়া চোখ হইতে হাত সরাইয়া লইতেই—আরো আশ্চর্য্য! বৃষের পিঠে এক দীর্ঘাকার জ্যোতির্ম্ময় পুরুষ আরোহী হইয়া বসিয়া আছে। আশ্চর্য্যের উপর আশ্চর্য্য হইয়া উতঙ্ক উঠিয়া দাঁড়াইলেন!
তোমরা ভাবিতেছ উতঙ্ক এইবার ছুটিয়া পালাইবেন! কিন্তু তোমরা সেখানে থাকিলে তোমরাও নিশ্চয় তখন উতঙ্কের মত নিশ্চল হইয়া দাঁড়াইয়া থাকিতে। ঐ যে বৃহৎ বৃষ—যাহার গলার কাছে ভাঁজে ভাঁজে পূষ্ট চর্ম্ম ঝুলিয়া পড়িয়াছে,—কপালের উপরে দুটি দীর্ঘ তীক্ষ্ণ শিং চক্চক্ করিতেছে;—প্রত্যেক প্রকাণ্ড পায়ের গোড়া কিছুদূর অতি কোমল শাদা রোমে ঢাকা—প্রকাণ্ড পুচ্ছটি সুগোল, শ্বেতবর্ণ—ক্রমে সরু হইয়া প্রায় মাটি পর্য্যন্ত নামিয়াছে;—পিঠের