এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
গুরুদক্ষিণা
তোমার সুষমা দেখিতে স্বর্গ ছাড়িয়া চলিয়া আসেন, তপস্বিগণ তোমার বন্দনা গান করিয়া থাকেন—তোমার অক্ষয় কল্যাণ হৌক, অক্ষয় কল্যাণ হৌক।” এই বলিয়া উতঙ্ক আনন্দিত অন্তরে প্রস্থান করিলেন।
উতঙ্ক ও প্রতিহারী চলিয়া গেলে, সখীর গলা ধরিয়া শুভশুক্লা হাসিতে হাসিতে বলিলেন, “সখি আজ আমার বড় আনন্দ হইল! তুচ্ছ সোনার কুণ্ডল আজি পবিত্র হইল।”
সখী হাসিয়া বলিলেন “আমরাও তোমার আনন্দে আনন্দিত। কিন্তু সখি, পথে যে তক্ষক কোন বিপদ ঘটাইবে না এ ত আমার বোধ হয় না।”
শুভশুক্লা বলিলেন, “বিপদ ঘটিলেও ব্রহ্মচারীকে কে প্রতিহত করিবে? দেবতাগণ মিলিয়া ব্রহ্মচারীর কুণ্ডল উদ্ধার করিয়া দিবেন। কিন্তু সে কথা যাক্,—সখি, সৎপাত্রে দান করিলে কি রকম হয়, বল দেখি?”
সখী বলিলেন, “যে দান করিয়াছে, সেই দানের শান্তি বুঝিতে পারে—আমরা কি বুঝিব?”
লজ্জিত হইয়া রাণী বলিলেন, “সখি, তোমরা
৩২