গৃহদেবী তরুণ নিকটে আসূিয়া ডাকিল-অঙ্গ ! অম্বা, মুখ তুলিয়াই ঝড়ের মত নীচে নাশিয়া গেল। তরুণ এক মিনিট। হতভম্বর মত দাড়াইয়া থাকিয়া আবার ঘুরে ঢুকিয়া পড়িল । “ টেবিলের উপর রাশি রাশি বই-খাতা छफ्रांप्न-उंब्रहे একখানা। টানিয়া লইয়া সে চেয়ারে বসিয়া পড়িবার চেষ্টা করিতে লাগিল। কিন্তু দিনের আলো স্নান হইবার আগেই ছাপার অক্ষর চােখের সামনে একেবারে একাকার হইয়া গেল। বিকালেও তাহার টিউশনী ছিল, কিন্তু আজ যে-সে কোন প্ৰয়োজনেই বাহির হইতে পারে—মনের এ অবস্থা তাহার ছিল না । অথচ বদ্ধ ঘরের বাতাসের চাপ ক্ৰমেই তাহার পক্ষে দুৰ্ব্বহ হইয়া উঠিতেছিল—চিরদিন সে খোলাখুলি ভাবেই মা’র * সঙ্গে সমস্ত আলোচনা করিয়াছে।--আজি সে উৎসাহ যে কোথায় অন্তহিঁত হইল, সে-যেন তাহার কোন সন্ধানই পাইল না। আলো-আঁধারের এমনি একটা লীলা চলিতেছিল যে তন্মধ্যে ডুবিবার মত প্ৰবৃত্তিও তাহার হইল না। সে নীচে নামিয়া দেখিল-অম্বা সেই টুলখানিতে নীরবে বসিয়া আছে। পিছন হইতে আর কিছুই সে দেখিতে পাইল না— কিন্তু তাহার মনে হইল সে-যেন সবলে কান্না রোধ করিবার চেষ্টা করিতেছে। , দুরন্ত শোকোচ্ছাস ভিতর হইতে ফুলিয়া ফুলিয়া উঠিতেছিল। .., নারীচরিত্রে তাহার অভিজ্ঞতা যে অত্যন্ত অল্প তাহ পূর্বে৪ দেখা গিয়াছে। সে বারান্দায় অম্বাকে ডাকিয়া সাড়া পায় बाशे,
পাতা:গৃহদেবী - বিজয়রত্ন মজুমদার.pdf/১২১
অবয়ব