(তুমি) মুখে বলবে পরের বুলি
পরম তত্ত্বের জানিবে কি
মেয়ে হ’য়ে বেণু কি চরায় রে;
তা যদি হইত যশোদা যাইত
গোপালে কি পাঠায় রে।
—আজু গোসাই।
(৮)
বন্দি আমি প্রথমতঃ রাজা কৃষ্ণচন্দ্রে
যাহার কৃপায় পুচ্ছ নাচায় গোঁসাই ঠাকুর রঙ্গে।
তারপরে বন্দনা করি প্রসাদ সেনের চরণে
একরতি যার কৃপা লাভে গোপাল কবি বাখানে।
তারপরে বন্দিলাম আমি কবি রায় গুনাকরে
(যাঁর) মধুর কথার মন্ত্রবলে বোবা কালা গান করে।
তারপরে বন্দনা করি ঐ ভক্ত বিটেল ব্রাহ্মণে
যার নত্ত্ব সত্ত্ব জ্ঞান নেই, তবু তত্ত্ব কথা কয় গানে।
বর্ণচোরা গোঁসাই তুমি, পরমতত্ত্বের কি জান
তত্ত্ব কথায় আমসত্ব ওলো বিষ্ণু মন্ত্রের জাত মার।
প্রসাদের গায়ে মদের গন্ধ তোমার অঙ্গে চন্দনের,
(অথচ) তোমার দুর্গন্ধে লোক স’রে গেলো পাইনে থই এ বৃত্তান্তের।
কৃষ্ণচন্দ্রের অশেষ দয়া তাই খাচ্ছ সুখে দুধকলা
ছত্রছায়া সরে গেলে খাবে শুধু কাঁচকলা॥—বিজন ভট্টাচার্য্য।
(৯)
(গিরি) এবার আমার উমা এলে
আর উমা পাঠাব না।
বলে ব’লবে লোকে মন্দ
কারও কথা শুনব না।
যদি এসে মৃত্যুঞ্জয়
উমা এবার কথা কয়
জামাই বলে মানব না।
দ্বিজ রামপ্রসাদ কয়
এ দুঃখ কি প্রাণে সয়
শিব শ্মশানে মশানে ফেরে
ভবের ভাবনা ভাবে না।
—রামপ্রসাদী।