পুঠি চৌদ্দ ধুলা নিলে হিরদে মাখিয়া।
ওঠে এলা হাড়ি সিদ্দা গা মোড়া দিয়া॥
সগ্গতে ঠেকিল মাথা হুটুস করিয়া॥১৯১৫
একনা পাও বাড়ায়া ফ্যালায় আশে আর পাশে।
আর এক পাও বাড়াইয়া ফ্যালায় বিরাশি কোশে॥
জেওখানে হাড়ি সিদ্দা পাও ফ্যালায়া জায় ভারি।
সেওখানে হএ জায় কুমল পুকরি॥
ছয় মাসের আস্তা হাড়ি ছয় দণ্ডে গ্যাল।১৯২০
কত্তোয়ার ঘাটে জাএয়া সিদ্দা খাড়া হৈল॥
মহামন্ত্র গিয়ান নিলে রিদএ জপিয়া।
ন্যাঙ্গা ঘাটিয়াল হৈল কায়া বদলিয়া॥
বার ভার জলের মধ্যে রাজার এক ভার কমি আছে।
জল ভারের বাদে রাজা এ দৌড় ধরিছে॥১৯২৫
ঘাটের পর জাএয়া রুপস্থিত হৈল।
নয়নেক গুরুক দেখি গুরুক চিনিল॥
নয়া সিকিয়া বাউঙ্খা দিলে, জলতে ভাসায়া।
পিতলের নাগিরি রাজা ডাঙ্গেয়া ভাঙ্গিল।
গুরুর চরনে ধরি রাজা কান্দিতে নাগিল॥[১]১৯৩৫
রাজার কান্দন দেখি গুরুর দয়া হৈল।
বাও ছঞ্চরে হাড়ি সিদ্দা রাজার গব্বে সোন্দাইল।
পাপ অপরাধ কিছুই না পাইল॥
- ↑ গ্রীয়ার্সন সাহেবের সংগৃহীত পাঠে—
মাথার চুল রাজা দুই অর্দ্ধ করিল।
হাড়ির চরনত রাজা পড়িল ভজিয়া॥
ঐ ধর্ম্মি রাজাক ঝোলঙ্গায় ভড়িয়া।
নটীর মহলত গেল চলিয়া॥