বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:গোপীচন্দ্রের গান.pdf/২৯৫

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
সন্ন্যাস খণ্ড
২৮৫


এলায় তোমার চ্যালা আছিল পালঙ্কে বসিয়া।
পাশা খ্যালার জন্য গ্যাল বন্দর নাগিয়া॥[]১৯৫০
ঝোলাত থাকি ধম্মিরাজা নড়ে আর চড়ে।
বাম বগল দিয়া সিদ্দা চিপি চিপি ধরে॥[]
এক দণ্ড থাক জাদু ধৈরন ধরিয়া।

    তোক বলোঁ আসা নড়ি বাক্য মোর ধর।
    হাত গলত বান্ধিয়া হিরা নটিক হাজির কর॥
    এক আজ্ঞা পাইলে সহস্র আজ্ঞা পাইল।
    গর্জিয়া হিরানটীর মহলত সোন্দাইল॥
    ঢেকাইতে ঢেকাইতে নটি বাইর কৈরে আনিল।
    বার কড়া কড়ি হাড়ী তখন উঠাইল॥
    বার বৎসরিয়া খত নটী আনিয়া যোগাইল।
    বার কড়া কড়ী গনিয়া নটীর হাতত দিল॥
    নটীর হাতর খতখান হাড়ীর হাতত দিল।
    রাম রাম বলিয়া খত ফাড়িয়া ফেলাইল॥

  1. পাঠান্তর—
    তোমার ঘরের চ্যাংরাকোন অঁয় বড় রসিয়া।
    কড়ি ধরি খ্যালাবার গ্যাছে বন্দরের ভিতর॥
    হাড়ি বলে হারে নটি তোর গালে পড়ুক চড়।
    হয় মোর অসিয়া ছোঁড়া জোগাও আনিয়া।
    কড়ি বার কড়া ন্যাও তোমার দরজাএ গনিয়া॥
    নটি বলে হারে হাড়ি কার প্রানে চাও।
    বড়াবড়ি কথা কইস তুই আমার বরাবর।
    তোমার চ্যালা আমার সঙ্গে ক’চ্ছে নড়ানড়ি।
    ঝুলি ক্যাঁথা বেচাইয়া নিম তোর খরচের কড়ি॥
    জখন ঐ হিরা নটি ডম্ফ কথা বলে।
    ঝোলঙ্গায় থাকিয়া রাজা খচর মচর করে॥
  2. পাঠান্তরে ‘বাম বগলে’ হলে ‘বাম উরাত’।